প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এতটাই প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে উঠেছে যে, যত নির্বাচনের দিন এগিয়ে আসছে, ততই তারা সন্ত্রাসের রাস্তা নিতে শুরু করেছে। এমনিতেই তো রাজ্যে বিরোধীদের রাজনীতি করার কোনো সুযোগ দেওয়া হয় না। আর তার মধ্যে এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিনাখায় উঠলো ভয়ংকর অভিযোগ। যেখানে বিজেপির দলীয় বৈঠক চলার সময় পুলিশের সামনেই বিজেপির কর্মীদের মারধর করা হয়েছে এবং কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করছে পদ্ম শিবির। স্বাভাবিক ভাবেই ভোটের আগে রীতিমত উত্তেজিত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় প্রস্তুতি নিচ্ছে সকল রাজনৈতিক দল। আর তারই অঙ্গ হিসেবে বিজেপি মিনাখায় নিজেদের দলীয় কার্যালয়ে একটি বৈঠক করছিলো। আর সেই সময় হঠাৎ করেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। এমনকি বাইরে বিজেপি কর্মীদের যে সমস্ত বাইক রাখা ছিলো, সেখানেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বেশ কিছু বিজেপি কর্মীকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, যখন এই হামলার ঘটনা ঘটে, তখন পুলিশ থাকলেও তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা ছিলো। তাই তৃণমূলের এই হামলার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব।
ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য। তিনি বলেন, “তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিনের নেতৃত্বে এই হামলা করা হয়েছে। ৩০ থেকে ৩৫ টা বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে, তার কিছুটা দূরেই থানা কিন্তু পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকায় দাঁড়িয়েছিল। অনেক সময় পর ওসি এসে আমাদের কর্মীদের উদ্ধার করেছেন। কিন্তু পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে আমাদের কর্মীরা যাতে তৃণমূলের দ্বারা তারা হেনস্থার শিকার হন, তার পরিকল্পনা করেছে।” স্বাভাবিক ভাবেই ভোটের আগেই যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠলো এলাকা এবং যেভাবে বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ করা হয়েছে, তাতে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
