Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

পরাজয়ের ভূতে প্রবল আতঙ্কিত তৃণমূল? বাজেটে চমক দিতেই শাসককে কড়া আক্রমণ শুভেন্দুর!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এবার যেভাবে এসআইআর হচ্ছে, তাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালোমতই বুঝতে পেরেছে যে, এইভাবে গোটা প্রক্রিয়া চললে তাদের পক্ষে জয় লাভ করা অত্যন্ত কঠিন। তাই কখনও আদালত, কখনও রাস্তায় মিটিং, মিছিল করে, প্রতিবাদ করে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবেই হোক, এসআইআরকে আটকানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু ইতিমধ্যেই প্রায় ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ চলে গিয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বের হলে আরও অনেক নাম বাদ যাবে বলেই প্রথম দিন থেকে দাবি করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এই পরিস্থিতিতে যখন কোনো ভাবেই ভোটেও কারচুপি করে নির্বাচনী পার হওয়া যাবে না বলে ধরে নিয়েছে এই রাজ্যের শাসক দল, ঠিক তখনই তারা রাজ্য বাজেটে একের পর এক চমকপ্রদ ঘোষণা করেছে। আদৌ ভোট অন অ্যাকাউন্টে এই ধরনের ঘোষণা করতে পারে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তবে এর আগেও যুবশ্রী প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তার সুবিধা কতজন বেকাররা পেয়েছেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর তাই নতুন যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা হতেই পরাজয়ের ভুত ঘাড়ে চেপে বসেছে জন্যেই তৃণমূল এই সমস্ত চমক দিচ্ছে বলে দাবি করলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।

ইতিমধ্যেই রাজ্য বাজেট পেশ হয়েছে। সেখানে একাধিক চমকপ্রদ ঘোষণা করা হয়েছে। লক্ষীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধির পাশাপাশি আশা কর্মীদের টাকা সামান্য বাড়িয়ে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভেবেছেন যে, তিনি এই সমস্ত কিছু দিয়ে ভোট নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। এমনকি বেকার সমস্যা যে রাজ্যের জ্বলন্ত সমস্যা, তা উপলব্ধি করে, চাকরির সঠিক দিশা না দেখিয়ে ক্ষমতায় এলে যুবসাথী নামক নতুন প্রকল্প করে বেকারদের দেড় হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে এই রাজ্যের সরকার। তবে এর আগেও এই রকম একটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তার সারবত্তা কিছু নেই বলেও দাবি করছে বিরোধীরা। আর তার মধ্যেই গোটা বিষয়ে রাজ্যকে এই চমকপ্রদ বাজেটে ঘোষণা নিয়ে আতঙ্কের জেরেই যে এই ঘোষণা করছে তারা, তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের ভীষণ রকমের মিথ্যাচার, প্রতারণা, এক কথায় জাগলারি এবং ভোটারদের একটা অংশকে প্রভাবিত করার চেষ্টা। তৃণমূল কংগ্রেস জানে, এই নির্বাচনে তারা হারবে। তাদের ধ্যান জ্ঞান, এসআইআর আটকানো। যখন এসআইআর চলছে এবং ড্রাফট লিস্টে ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গেছে, মুখ্যমন্ত্রী যখন দিল্লি, কলকাতা, আদালত, রাস্তা সব জায়গায় ছুটে বেড়াচ্ছেন, চিৎকার করছেন, তারপরেও এসআইআর আটকানো যাচ্ছে না এবং নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কা করছেন, পরাজয়ের ভূত ঘরে চেপে বসেছে, তখন এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বা হ্যান্ডবিল দেওয়া হয়েছে।”

Exit mobile version