Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“পশ্চিমবঙ্গের জন্য এটা খারাপ খবর” হঠাৎ কি হলো বাংলায়? কেন এমন বললেন শুভেন্দু!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- একসময় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসেছিল। অনেকেই ভাবতে পারেনি যে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের এত কীর্তি রয়েছে! তার এক বান্ধবী থেকে শুরু করে তার মত রাজনৈতিক নেতার যে পরিমাণ দুর্নীতির সামনে এসেছিল, তাতে লজ্জায় মাথা কাঁটা গিয়েছিল গোটা রাজ্যবাসীর। এত বড় মাপের রাজনীতিবিদ, এত প্রবীণ মানুষ, তিনি এত কীর্তি করতে পারেন, তা স্বপ্নেও কেউ ভাবতে পারেননি। প্রায় তিন বছরের মত সময় জেলে ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী অবশেষে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজই জেল থেকে ছাড়া পেতে চলেছেন তিনি। আর যিনি বহু শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, যিনি প্রত্যক্ষভাবে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থেকেছেন, তার মত ব্যক্তির এইভাবে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার বিষয়টি যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য ভালো খবর নয়, সেই কথাই জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এই বাংলায় তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর বহু অনৈতিক ঘটনা ঘটেছে‌‌। বহু অন্যায়, বহু অত্যাচার, বহু খুন, ধর্ষণের মত ঘটনা ছাপ ফেলে দিয়েছে রাজ্যবাসীর মনে। সকলেই চাইছেন, তৃণমূল সরকারের বিদায় হোক। আর এই পরিস্থিতিতে এমন কি ঘটনা আবার ঘটে গেল, যা নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কিছুটা হলেও আপসেট! তিনি যে কথা বললেন, তাতে সত্যিই এটা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য কিছুটা হলেও আশাব্যঞ্জক খবর নয়। কেননা যিনি এত দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তার এইভাবে জেল থেকে মুক্তি বাংলার মানুষ জন মেনে নিতে পারবেন না, সেই ব্যাপারে দ্বিমত নেই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।

এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জেলমুক্তির বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই প্রশ্নের উত্তরে কিছুটা হতাশ হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “এটা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ভালো খবর নয়। এটা তৃণমূলের চোরেদের পরিবারের কাছে ভালো খবর।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সত্যিই তো তাই। এই খবর তো কোনোদিনই ভালো খবর হতে পারে না। কেননা যিনি এত বড় মাপের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তার এইভাবে জেল থেকে মুক্তি পশ্চিমবাংলার মানুষের মনে কিছুটা হলেও হতাশার সঞ্চার করেছে। তাই তৃণমূল এই সমস্ত বিষয় নিয়ে উৎফুল্ল থাকতে পারে। তবে তারা যে মোটেই খুশি নয়, তা স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

Exit mobile version