প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যে এবার ক্ষমতায় আসবে না, তা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই অতীতে যত ভোটের তারা প্রতিহিংসা পরায়ন আচরণ করেছে, বিরোধীদের ভয় দেখিয়েছে, তার থেকে এবার আরও দ্বিগুণভাবে ভোটের আগে থেকেই তারা হিংসাত্মক কাজকর্ম করতে শুরু করেছে। যেভাবেই হোক, বিরোধীরা যাতে ভোটের দিন সক্রিয় না থাকতে পারে এবং ভোটের আগে যাতে প্রচারে সামিল হতে না পারে, তার জন্য সব রকম চেষ্টা শুরু করে দিয়েছে এই রাজ্যের শাসক দল। অন্তত তেমনটাই অভিযোগ করছেন বিজেপি নেতৃত্বরা। আর তাদের সেই অভিযোগকে সত্যি করেই এবার বিজেপির পতাকা খোলায় তাদেরই এক কর্মী প্রতিবাদ করার কারণে তৃণমূলের হাতে মার খেতে হলো সেই ব্যক্তিকে। যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে হাওড়া।
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে তৃণমূল কংগ্রেস চেষ্টা করছে সমস্ত জায়গায় ভয়-ভীতি দেখিয়ে বিরোধীদের একেবারে ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়ার। কারণ তারা খুব ভালো মতই জানে যে, এবার বিজেপি বাংলা দখল করার জন্য সমস্ত রকম প্ল্যান ছকে নিয়েছে। আর এটাই তৃণমূলের কাছে ভীষণ আতঙ্কের কারণ। তাই বিরোধীরা তৃণমূলের অন্যায় মূলক কাজের প্রতিবাদ করলেই সাথে সাথে তাদেরকে মারধর করে হুমকি দিয়ে, আরও ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠছে শাসকদলের বিরুদ্ধে। আর সেই রকমই একটি ঘটনা ঘটলো হাওড়াতে।
সূত্রের খবর, এদিন বিজেপির একটি পতাকা খোলেন তৃণমূলের স্থানীয় কর্মী অমিত দাস। আর দলীয় পতাকা তৃণমূলের কর্মী খুলছেন দেখেই সেখানে ছুটে আসেন এক বিজেপি কর্মী। গোটা ঘটনায় প্রতিবাদ করেন তিনি। আর তারপরেই তাকে বেধরক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে তাকে বাঁচাতে আসলে তার ছেলেকেও মারধর করা হয়েছে বলে খবর। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিন জন ব্যক্তিকে। তবে প্রশ্ন উঠছে, ভোটের আগেই যদি এই অন্যায় মূলক ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের রোষের মুখে পড়তে হয় বিরোধীদের, তাহলে ভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই তো চোখ রাঙানি বাড়বে এই রাজ্যের শাসক দলের। কিন্তু তখন কিভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে? তাই এখন থেকেই বিজেপিকে এই সমস্ত কিছু প্রতিহত করার মত রাজনৈতিক ব্লু প্রিন্ট তৈরি করা উচিত বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
