Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

Big breaking প্রশাসনের শীর্ষ পদে বদলের পর এবার জেলায় জেলায় এসপি বদল! আজও বড় ঝটকা কমিশনের!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- এবারের নির্বাচন হবে অন্যভাবে। প্রথম দিন থেকেই তা বুঝিয়ে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষনার পরেই রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে বদল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারপর রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের সিপি পদেও বদল আনার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এমনকি কাদের সেই জায়গায় দায়িত্ব দিতে হবে, সেই ব্যাপারেও কমিশনের পক্ষ থেকে নাম জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে অত্যন্ত অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। কিন্তু তার চিঠিকে কার্যত পাত্তাই না দিয়ে কমিশনের পক্ষ থেকে ফের বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

এই রাজ্যের বিরোধী দলগুলির দাবি ছিলো যে, রাজ্য প্রশাসন থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন, যারা তৃণমূলের দলদাস হয়ে ভোটের সময় কাজ করেন। তাই প্রশাসনের খোলনলচে আমুল বদলে ফেলতে হবে কমিশনকে। নিরপেক্ষ আধিকারিকদের দিয়েই নির্বাচন করতে হবে। আর তা করলেই শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গে সম্ভব। আর গোটা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে ভোটের নির্ঘণ্টা ঘোষণা হওয়ার সাথে সাথেই কমিশন একের পর এক ঝটকা দিতে শুরু করেছে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষস্তরে আমলাদের বদল করার পর এবার জেলায় জেলায় এসপি বদলের প্রক্রিয়াও শুরু করে দিলো নির্বাচন কমিশন।

সূত্রের খবর, এদিন নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জেলায় জেলায় এসপি বদলের নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে প্রায় ১২ টি জেলায় পুলিশ সুপার পদে বদল আনার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। দুই মেদিনীপুর থেকে শুরু করে বীরভূম, বারাসাত, বসিরহাট, কোচবিহার, জঙ্গিপুর, ইসলামপুর, ডায়মন্ডহারবার, মালদা, মুর্শিদাবাদে নতুন পুলিশ সুপার দায়িত্ব নিতে চলেছেন। অর্থাৎ যে জেলাগুলি নিয়ে এতদিন বিরোধীদের নানা অভিযোগ ছিলো, তারা দাবি করতেন যে, এই সমস্ত জেলায় যারা পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ পদে রয়েছেন, তাদের দলদাসের মত কাজ করাতে বাধ্য করছে এই রাজ্যে শাসক দল। এক্ষেত্রে গোটা বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েই এবার কমিশনের পক্ষ থেকেও অ্যাকশন নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল। অর্থাৎ নিরপেক্ষ ভোট করানোর ক্ষেত্রে কমিশন একাধিক জেলায় এসপি বদল করে আরও বড় ঝটকা দিয়ে দিলো বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version