Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

Big breaking পূ্র নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির ঝোড়ো ব্যাটিং! তলব এড়িয়ে গেলেন এই হেভিওয়েট! এবার কি কড়া পদক্ষেপ?

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাজ্যে একের পর এক দুর্নীতির তথ্য সামনে আসছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, যারা তদন্তের দায়িত্বে রয়েছেন, তারা কেন সঠিকভাবে কাজ করছেন না! এই অভিযোগ অনেকের মনের মধ্যেই রয়েছে। প্রত্যেকটি মহলে প্রশ্ন উঠছে যে, তাহলে কি ওপরতলায় সেটিং রয়েছে, যার জন্য যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত বলে সকলে জানে তাদেরকে ধরা হচ্ছে না? শুধুমাত্র ডাকাডাকির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা! আর এসবের মধ্যেই হঠাৎ করেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইডি, কিছুদিন আগেই তারা রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর অফিস এবং তার ছেলের রেস্টুরেন্টে থানা দিয়েছিল। আর তারপরেই গত সপ্তাহে খবর পাওয়া গিয়েছিল যে, এই সপ্তাহে তার স্ত্রী, পুত্র এবং কন্যাকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তলব করেছে। গতকাল সুজিতবাবুর মেয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে হাজিরা দিয়েছিলেন। কিন্তু ডাকার পরেও আজ হাজিরা এড়িয়ে গেলেন রাজ্যের দমকল মন্ত্রীর সহধর্মিনী।

বলা বাহুল্য, এই রাজ্যের বুকে দীর্ঘদিন ধরেই যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, তাদের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে বহু প্রশ্ন রয়েছে। যেখানে সকলেই জানে, কারা দুর্নীতি করেছে, সেখানে কেন আসল মাথাদের ধরা হচ্ছে না? কেন চুনোপুটিদের আটকে রাখা হয়েছে! আর যাদেরকে ধরার কথা, তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েই কেন তদন্তের গতি স্লথ করে দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। আর এসবের মধ্যেই গত সপ্তাহেই রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর স্ত্রী, পুত্র এবং কন্যাকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চলতি সপ্তাহেই তাদের হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু সুজিতবাবুর মেয়ে এবং তার জামাই হাজিরা দিলেও, আজ হাজিরার কথা থাকলেও উপস্থিত হলেন না রাজ্যের দমকল মন্ত্রীর স্ত্রী।

জানা গিয়েছে, আজ পৌর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সুজিত বাবুর স্ত্রীকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু অন্যান্য কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা দেননি। ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে সেই কথা জানিয়ে দিয়েছেন সুজিতবাবুর সহধর্মিনী। তবে এখানেই কি চুপ করে বসে থাকবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? যখন তদন্তে সহযোগিতা করার কথা, তখন যেভাবে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেন, তাতে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলছেন যে, আর বিন্দুমাত্র অপেক্ষা না করে অবিলম্বে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত ইডির। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

Exit mobile version