প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে হিন্দুরা ক্রমশ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হিন্দুদের একটা বড় অংশের সমর্থন যাবে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। তবে সংখ্যালঘু ভোট যে সবটা তৃণমূলের দিকেই যাবে, সেই সম্পর্কে এতদিন কোনো দ্বিমত ছিল না। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বদলাতে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণ। এমনিতেই হুমায়ুন কবীর যে সমস্ত কথা বলছেন, তাতে তিনি যদি সত্যিই তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তাহলে রাজ্যের শাসক দলের সংখ্যালঘু ভোট পাওয়া তো দূরের কথা, তারা যে চোখে সর্ষে ফুল দেখবে, তাতে নিশ্চিত বিরোধীরা। আর তার মধ্যেই রাজ্যে ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে মিমের দাপট।
হুমায়ুন কবীর তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনি দাবি করছেন যে, নতুন দল গঠন করবেন। এমনকি সেই দলে তিনি মিমের সঙ্গে জোট করবেন বলেও জানিয়ে দিয়েছেন। আর এখানেই সংশয় তৈরি হয়েছে যে, যদি সত্যিই এই জোট গঠন হয়, তাহলে তৃণমূলের দিকে যে সংখ্যালঘু ভোট ছিল, যে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে তৃণমূল নেতারা নিশ্চিত ছিলেন, তাতে যে ফাটল ধরবে, তা একপ্রকার নিশ্চিত। আর তার মধ্যেই জেলায় জেলায় সেই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিমে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছে।
সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। যেখানে মালদহের রতুয়ায় তৃণমূল ছেড়ে প্রায় একশোর বেশি কর্মী যোগদান করেছেন মিম পার্টিতে। আর এখানেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, এতদিন তো মিমের অস্তিত্ব বলতে কিছু ছিলো না। কিন্তু এবার তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটে ফাটল ধরিয়ে যেভাবে মিমে যোগদানের হিড়িক বাড়ছে, তাতে মালদহের মত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলায় তৃণমূল আগামী দিনে খাতা খুলতে পারবে কিনা, এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।
