Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

রাজ্যে তাহলে রাষ্ট্রপতি শাসনেই ভোট? নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনছেন মমতা?

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআরের পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রচুর ভোটারের ভবিষ্যৎ বিবেচনাধীনের মধ্যে রয়েছে। তাই তাদের ভবিষ্যৎ কি হবে এবং এই বাতিল ভোটারদের সংখ্যা আরও বাড়বে কিনা, তার দিকে সকলের নজর রয়েছে। আর তার মধ্যেই সকলের প্রশ্ন যে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা যখন প্রকাশ হয়ে গিয়েছে, তখন তো নির্বাচন ঘোষণা করতে কোনো বাধা নেই। ফলে কবে ঘোষণা হবে ভোটের? অনেকে বলছেন, যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে যদি আরও বিলম্ব হয় পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন ঘোষণা করতে, তাহলে হয়ত রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে বাংলা। আর তা যদি হয়, তাহলে তৃণমূলের কপালে যে চরম দুঃখ অপেক্ষা করছে, তা বলার অপেক্ষায় রাখে না। আর এই সমস্ত বিষয় নিয়ে চর্চার মাঝেই আজ বড় মন্তব্য করলেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত।

পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ এর নির্বাচন কবে হবে, তা নিয়েই এখন জলঘোলা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যত দিন এগোচ্ছে, ততই আশঙ্কা বাড়ছে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ঘোষণা নিয়ে। সিংহভাগ মানুষ মনে করছেন, হয়ত রাষ্ট্রপতি শাসনেই বাংলায় ভোট হবে। আর রাষ্ট্রপতি শাসনে ভোট হলে পুলিশ দিয়ে তৃণমূলের এই দাদাগিরি যে বন্ধ হয়ে যাবে এবং তৃণমূল দলটা যে এক মুহূর্তে উঠে যাবে, তা নিয়ে কোনো মহলেই কোনো দ্বিমত নেই। আর এই পরিস্থিতিতে সেই রাষ্ট্রপতি শাসনের জল্পনা উস্কে দিলেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ। তিনি আজ যে মন্তব্য করলেন, তার ফলে প্রশ্ন উঠছে যে, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দলের নেতারা নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? তারা যেভাবে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে নির্বাচন কমিশনকে হুমকি, হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, তাতে এই বিষয়টি হাতিয়ার করেই এখন যদি কেন্দ্রীয় সরকার বা নির্বাচন কমিশন এই রাষ্ট্রপতি শাসনের ব্যাপারে বড় কোনো পদক্ষেপ নিয়ে নেয়, তাহলে সবথেকে বড় চাপ তো বাড়বে তৃণমূল কংগ্রেসের! এখন তারা সেটাকে সহ্য করতে পারবেন? তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

সূত্রের খবর, এদিন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে হাতিয়ার করে পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গলরাজ চলছে বলে দাবি করেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত। আর সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেই যেখানে নির্বাচন কমিশনকে এইভাবে হুমকি, হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে, সেখানে বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনেই ভোট করানো উচিত বলেই মনে করছেন তিনি। রাজু বিস্ত বলেন, “রাজ্যে অবাধ সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে গেলে রাষ্ট্রপতি শাসন দরকার। কেন্দ্রীয় সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের এই বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।” আর এখানেই জল্পনা তৈরি হয়েছে যে, এখনও পর্যন্ত যখন ভোট ঘোষণা হয়নি, যখন ক্রমশ রাষ্ট্রপতি শাসনেই এই রাজ্যে ভোট হবে কিনা, তা নিয়ে একটা চর্চা চলছে, তখন বিজেপি সাংসদের এই মন্তব্য কি তৃণমূলের বিপদ আরও বাড়িয়ে দিলো? সত্যিই কি তাহলে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসনেই হতে চলেছে নির্বাচন? সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

Exit mobile version