প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ভোটের ঘোষণা না হলেও আজ থেকেই বিজেপির রীতিমত প্রচার ময়দানে নেমে পড়েছে। শুরু হয়েছে তাদের মেগা কর্মসূচি, পরিবর্তন যাত্রা। রাজ্যের চার প্রান্ত থেকে আজ এই যাত্রার সূচনা করছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং রাজ্য নেতৃত্ব। যেখানে গড়বেতায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই কর্মসূচিতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। শুধু তাই নয়, রাজ্যের মানুষের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য তৃণমূল সরকারকে উৎখাত করারও আহ্বান জানালেন তিনি।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রীতিমত বাংলার জন্য ব্লু প্রিন্ট তৈরি করে ফেলেছে। কেন্দ্রীয় স্তরের নেতা, মন্ত্রীদের কাজে লাগানো হচ্ছে বাংলার সংগঠন এবং জনসংযোগের জন্য। আজ রাজ্যজুড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে পরিবর্তন যাত্রা শুরু হচ্ছে। যেখানে কোথাও উপস্থিত রয়েছেন, নীতিন নবীন। আবার কোথাও রয়েছেন, জেপি নাড্ডা, ধর্মেন্দ্র প্রধানরা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে আরও বেশি করে সোচ্চার হতে এবং রাজ্যে পরিবর্তন করতেই যে বিজেপির এই বৃহৎ পরিকল্পনা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্বাভাবিকভাবেই সেই কর্মসূচি থেকে বিজেপির কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য স্তরের নেতারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন, এটাও অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। তবে এই রাজ্যের বিজেপি নেতারা যেভাবে প্রতিনিয়ত অভিযোগ করেন যে, রাজ্যের মানচিত্রের পরিবর্তন করে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে তোষণ করে এই বাংলায় হিন্দুদের সর্বনাশ করছে তৃণমূল সরকার। আজ সেই একই কথা শোনা গেল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্রর প্রধানের গলায়।
সূত্রের খবর এদিন গড়বেতায় পরিবর্তন যাত্রা সূচনায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্রপ্রধান যেখানে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আর সেই কর্মসূচিতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, “বাংলার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যুব বিরোধী, মহিলা বিরোধী, গরীব বিরোধী এই সরকারের বিরুদ্ধে পরিবর্তন যাত্রা শুরু করছি। বিজেপির নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের চারটি প্রান্ত থেকে চারটি এলাকা থেকে এই পরিবর্তন যাত্রা শুরু হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ কে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছেন। তৃণমূল সরকারকে অবিলম্বে সরাতে হবে। কারণ, এই রাজ্যের সরকারের আমলে নারীদের নিরাপত্তা নেই, বেকারদের চাকরি নেই। বাংলার মানুষ নিরাপত্তা চায়। বাংলার মেয়েরা সুরক্ষা চায়। বাংলার শিক্ষিত যুবক যুবতীরা চাকরি চায়।”
