প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই ইভিএম কারচুপির অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্তত ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন বা ‘রিপোল’-এর জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, এই বুথগুলির ইভিএম-এ টেপ এবং আতর ব্যবহার করে ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।
গতকাল রাতভর বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত এবং অন্যান্য আধিকারিকদের মধ্যে দীর্ঘ বৈঠক চলে। গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিটি অভিযোগ খুঁটিয়ে দেখার পর কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ টি বুথের বিষয়ে ইতিমধ্যেই প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। আজ সকালেও আরও কিছু বুথের রিপোর্ট জমা পড়ার কথা রয়েছে।
মূলত তিন বিধানসভা এলাকার পরিস্থিতি সবথেকে উদ্বেগ জনক বলে মনে করছে কমিশন। ডায়মন্ডহারবার: ৪টি বুথে রিপোলের সম্ভাবনা।
পশ্চিম মগরাহাট: ৬টি বুথে রিপোলের সম্ভাবনা। ফলতা: ৫টি বুথে রিপোলের সম্ভাবনা।
বিজেপির পক্ষ থেকে ফলতার সমস্ত বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হলেও, কমিশন আপাতত নির্দিষ্ট ১৫ টি বুথের ওপর নজর দিচ্ছে যেখানে ইভিএম-এর অবস্থা ‘ভোট দেওয়ার অযোগ্য’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
উত্তেজনার মাঝেই স্বস্তির খবর দিয়েছে কমিশন। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, নদীয়া এবং পূর্ব বর্ধমান— এই চার জেলায় আপাতত পুন র্নির্বাচনের কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানানো হয়েছে।
কমিশন সূত্রে খবর, আজ বিকেলের মধ্যেই চূড়ান্ত তালিকা এবং পুনর্নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হতে পারে। ইভিএম-এ কেন এবং কীভাবে আতর বা টেপ লাগানো হলো, তা নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছেও রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
