প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বাংলার রাজনীতিতে ফের একবার বড়সড় ভূমিকম্পের ইঙ্গিত! যে নন্দীগ্রামে গতবার মুখ থুবড়ে পড়েছিলেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী, সেই মেদিনীপুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে এবার কি তবে আরও বড় ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী? শুধু নন্দীগ্রাম নয়, খাস কলকাতার ভবানীপুর নিয়েও এবার বড় দাবি করে বসলো বিজেপি। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের এক বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। কি এমন বললেন তিনি, যা শুনে ঘাম ছুটছে ঘাসফুল শিবিরের?
বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজার পরেই বড় ভবিষ্যদ্বাণী করে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর—এই দুই কেন্দ্রেই পদ্ম ফোটানো এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। শমীক বাবুর দাবি, নন্দীগ্রামে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবার গতবারের তুলনায় অন্তত ১০ শতাংশ বেশি মার্জিনে জয়ী হবেন। অর্থাৎ, নন্দীগ্রামের মানুষ যে পুরোপুরি বিজেপির ওপর আস্থা রেখেছেন, তা আজ আর কোনো গোপন বিষয় নয়। কিন্তু চমকের শেষ এখানেই নয়। শমীক ভট্টাচার্য আরও একধাপ এগিয়ে দাবি করেছেন, শুধু নন্দীগ্রাম নয়, এবার ভবানীপুরের মাটিতেও বড় জয় পেতে চলেছে বিজেপি। উল্লেখ্য, ভবানীপুরকে তৃণমূলের গড় বলে মনে করা হলেও, সেখানে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত এখন শাসক দলের জন্য বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক মহলের মতে, শমীক ভট্টাচার্যের এই আত্মবিশ্বাস তৃণমূলের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তাকে যে তৃণমূল শত চেষ্টা করেও দমাতে পারছে না, তা বারেবারে প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। নন্দীগ্রামে জয়ের ব্যবধান বাড়ার অর্থ হলো—তৃণমূলের পায়ের তলা থেকে মাটি সরছে। অন্যদিকে, ভবানীপুরে বিজেপির জয় মানে সরাসরি দলনেত্রীর গড়ে হানা দেওয়া। স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি নেতার এই বড় দাবির পর এখন রাজনৈতিক মহলে একটাই প্রশ্ন—শুভেন্দু অধিকারীর এই জয়যাত্রা কি তবে আর আটকানো সম্ভব নয়? শমীক ভট্টাচার্যের এই চ্যালেঞ্জের পর তৃণমূলের পালটা চাল কী হবে, সেটাই এখন দেখার।
