Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ক্যামাক স্ট্রিট কাণ্ডে শমীকের বিস্ফোরক বয়ান! তৃণমূলকে নজিরবিহীন নিশানা বিজেপি রাজ্য সভাপতির!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কলকাতার বুকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের দপ্তরে গভীর রাতে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি। এই ঘটনার দায় সরাসরি বিজেপির ওপর চাপিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে সেই অভিযোগকে সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিয়ে অত্যন্ত কড়া ভাষায় পাল্টা আক্রমণ শানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানান, এই ধরণের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাথে ভারতীয় জনতা পার্টির কোনো সম্পর্ক নেই।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেন, বিজেপি কর্মীদের দিকে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তাঁর কথায়, “বিজেপি কর্মী আক্রমণ করলে অনেকদিন আগেই করতে পারত। বিজেপি প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। এই ধরণের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি নয়।” তৃণমূলকে বিঁধে তিনি আরও বলেন যে, যদি বিজেপি সত্যিই প্রতিহিংসার রাজনীতি করতো, তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের পরাজিত বা জয়ী নেতারা এভাবে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারতেন না।

এদিন শুধু আক্রমণের সুর চড়ানোই নয়, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসটির আইনি বৈধতা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি তীব্র কটাক্ষের সুরে বলেন, “ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের কোনো অফিস আছে বলে আমার জানা নেই।” উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের এই ভবনটিতে থাকা তৃণমূলের একটি ঝুলন্ত বৈদ্যুতিক সাইনবোর্ড সরানোকে কেন্দ্র করে কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের সাথে তৃণমূল নেতৃত্বের তুমুল সংঘাত তৈরি হয়েছিল। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশকে হেনস্থার অভিযোগে ইতিমধ্যেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েনসহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছে। সেই আইনি বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার গভীর রাতে ওই অফিসে হামলার ঘটনা ঘটল।

বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের দাবি, এই ঘটনা আদতে তৃণমূলের নিজস্ব গোষ্ঠীকোন্দলের ফল। লোকসভা বা বিধানসভা স্তরে নিজেদের অন্তর্কলহ ঢাকতেই এখন চক্রান্ত করে বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা চলছে। রাজ্য সরকারের পুলিশ ও প্রশাসনকে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

Exit mobile version