Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

সীমান্তে নেই বেড়ার ব্যবস্থা! রাজ্যে ঢুকছে রোহিঙ্গারা, মমতার বিরুদ্ধে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ শুভেন্দুর!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে তোষণ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই অভিযোগ করে বিরোধীরা। এমনকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে রাজ্যে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সীমান্তে ৫৫০ কিলোমিটার যেখানে বেড়া দেওয়া হয়নি, সেখানে বেড়া দেওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা বলেছে। কিন্তু তারপরেও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলেই বারবার করে সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়ানোর জন্য অনুপ্রবেশকারীদের রাজ্যে ঢোকানোর ক্ষেত্রে এই চেষ্টা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকার বলেই বিভিন্ন সময় দাবি করেন তিনি। আর এবার নয়া রাজ্যপালকে সংবর্ধনা দিতে গিয়ে তার কাছেও রাজ্যের ভৌগোলিক মানচিত্র যেভাবে বদল করা হচ্ছে, যেভাবে রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীদের অবৈধভাবে এই রাজ্যে প্রবেশ করানোর ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে রাজ্যের সরকার, তাতে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

বিভিন্ন সময় বিধানসভার ভেতরে এবং বাইরে, এমনকি প্রকাশ্য জনসভা থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ৫৫০ কিলোমিটার সীমান্তে বেড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারী। এক্ষেত্রে কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই গাফিলতি, সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন তিনি। তার একটাই বক্তব্য যে, রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক হিসেবে রাখতে চাইছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি রাজ্যে দলীয় সভার প্রচারে এসেও সেই কথা তুলে ধরে বারবার তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সোচ্চার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর এবার নয়া রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেও সেই বিষয়টি উত্থাপন করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আরও চাপের মুখে ফেলে দিলেন বিরোধী দলনেতা।

সূত্রের খবর, এদিন লোকভবনে গিয়ে নয়া রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই সৌজন্য সাক্ষাতের পর বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানে শুভেন্দুবাবু বলেন, “এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রধান লক্ষ্য তোষণ। ৫৫০ কিলোমিটার বেড়া নেই। সীমান্ত থেকে হু হু করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গারা আসছে। জনবিন্যাস বদলে গিয়েছে। রাজ্যপালকে জানিয়েছি, বাংলাকে বাঁচান।”

Exit mobile version