প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই অত্যন্ত আতঙ্কিত, তা তাদের নেতা-নেত্রীদের একের পর এক বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তারপর এসআইআর শুরু হওয়ার পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কথা বলা হয়েছে। আর এখন যখন রাজ্যজুড়ে এসআইআরের শুনানি হচ্ছে, ঠিক তখনই বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। যেখানে বিজেপির পক্ষ থেকে যখন ফর্ম সেভেন জমা দেওয়া হচ্ছে, তখন তৃণমূল ইচ্ছাকৃত ভাবে তাদের বাধা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের নেতা থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা আইন হাতে তুলে নিয়ে শুনানি প্রক্রিয়াকে বানচাল করার জন্য ভাঙচুর চালাচ্ছে বলেও খবর সামনে এসেছে। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এবার নদীয়ার সভা থেকে গর্জে উঠলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বর্তমানে রাজ্য রাজনীতিতে অন্যতম চর্চার বিষয়, এসআইআর। ইতিমধ্যেই শুনানি প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে সেই শুনানিতে যাদেরকে ডাকা হচ্ছে, তাদের বৃথা হয়রান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে রাজ্যের শাসক দল। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় শুনানিতে কেন এত মানুষকে ডাকা হবে, সেই বিষয়ে প্রশ্ন তুলে বিডিও অফিসে গিয়ে ভাঙচুর করতেও দেখা গিয়েছে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের। যার পরিপ্রেক্ষিতে সোচ্চার হয়েছে বিরোধীরা। আর এবার গোটা ঘটনায় তৃণমূলীর বিরুদ্ধে রাজ্যজুড়ে নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন নদীয়ার ধুবুলিয়ায় পরিবর্তন সংকল্প সভায় উপস্থিত হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই এসআইআরকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস গোটা রাজ্যজুড়ে নৈরাজ্য তৈরি করছে। প্রত্যেকদিন বিডিও অফিসগুলোতে হামলা, আগুন লাগানো, অবৈধ পথ অবরোধ, বিজেপির ক্যাম্পে হামলা এবং বিভিন্নভাবে এরা নৈরাজ্য করছে। আজকেও সন্দেশখালি থেকে গোসাবা, চারিদিকে হামলা এবং সন্ত্রাস হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় হিন্দুদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এর জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী নয়। এর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের প্রশাসন।”
