Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

SIR এর শুনানিতে বিডিও অফিসে তান্ডব! নেপথ্যে মমতার প্ররোচনাকেই দায়ী করলেন শমীক!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে আবার নতুন করে একটা অশান্তির বাতাবরণ তৈরি হতে দেখা যাচ্ছে। কিছু মানুষ, যারা এসআইআরে প্রথম থেকেই বিরোধিতা করতে শুরু করেছিলেন, তারা এখন রাস্তায় নেমে পড়েছেন। তাদের একটাই বক্তব্য যে, নির্বাচন কমিশন নাকি হয়রান করার চেষ্টা করছে। কিন্তু আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন এসআইআরের শুনানিতে যাদের নিয়ে প্রশ্ন আছে, তাদের ডেকে পাঠালেও, কিছু মানুষ এর বিরুদ্ধে আপত্তি করে আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন। ফারাক্কার পর গতকাল চাকুলিয়ায় যে তান্ডবের চিত্র সামনে এসেছে, তারপর প্রশ্ন উঠছে, যে সমস্ত মানুষ এইভাবে আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন, যারা এইভাবে ভাঙচুর চালাচ্ছেন সরকারি অফিসের মধ্যে, তাদের এত সাহস আসছে কোথা থেকে? আর এখানেই দুইয়ে দুইয়ে চার করতে শুরু করেছে বিরোধীরা। তাদের বক্তব্য, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রথম দিন থেকেই এসআইআরের বিরুদ্ধে মানুষকে প্ররোচিত করার চেষ্টা করছেন। আর সেইখানে তিনি যখন নিজেই গোটা প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন, তখন কিছু মানুষ তার কাছ থেকে উৎসাহ পেয়েই যে এই ধরনের ঘটনা ঘটাতে শুরু করেছে এবং আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন, সেই সম্পর্কে সন্দেহ নেই বিরোধী নেতাদের। আর সেই বিষয়টি তুলে ধরেই রাজ্যের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালাতে দেখা যায় তৃণমূল বিধায়ক এবং তার অনুগামীদের। তাদের বক্তব্য, এসআইআরে শুনানির নাম করে মানুষকে বিপদে ফেলা হচ্ছে। আর গতকাল দেখা যায়, উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ায় সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। যেখানে কিছু মানুষ বিডিও অফিসে ঢুকে রীতিমত তাণ্ডব চালান। স্বাভাবিকভাবেই যখন নির্বাচন কমিশন গোটা প্রক্রিয়া পরিচালিত করছে, তখন এইভাবে কিছু মানুষ অশান্তি করার সাহস পাচ্ছে কোথা থেকে? তাহলে কি যে রাজনৈতিক দল এসআইআরের এত বিরোধিতা করছে, তারাই এই সমস্ত মানুষকে লেলিয়ে দিয়ে গোটা পরিস্থিতিকে ভন্ডুল করার চক্রান্ত করছেন, তা নিয়েও বিরোধীদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। আর সেই বিষয়েই এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই তিনি বলেন, “প্রতিদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে, সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলছেন, দরকার হলে বেঁধে রাখো, কেউ কোনো নথি দেবে না। যদি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নিজে এবং শাসকদল উস্কানি দেয়, প্ররোচনা দেয়, নিজে যেখানে গিয়ে দলিল, দস্তাবেজ ছিনতাই করছেন, সেখানে তো এই ধরনের ঘটনা ঘটবেই। এটা তো নতুন কোনো ঘটনা নয়। এর আগেও রাজীব কুমারের বাড়ির সামনে সিবিআইয়ের অফিসারদের সঙ্গে পুলিশ কি ব্যবহার করেছিলো, সেটা মানুষ দেখেছে। তাই এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়। এরকম প্রচুর ঘটনা ঘটছে। বিচারপতিরা আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশ আক্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূলের দ্বারা। পশ্চিমবঙ্গে কার্যত সাংবিধানিক ব্যবস্থা বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই।”

Exit mobile version