প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বর্তমানে ফের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। যেখানে নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণভাবে এসআইআর প্রক্রিয়াকে সমাপ্ত করার চেষ্টা করছে, সেখানে কিছু মানুষ পরিকল্পিতভাবে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করছে বিরোধীরা। যেখানে ফারাক্কায় বিডিও অফিসে ঢুকে তৃণমূল বিধায়ক এবং তার অনুগামীরা ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। আর একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে কিভাবে তিনি আইন হাতে তুলে নিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকেই বলছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে এসআইআরের বিরুদ্ধে প্ররোচনা দিচ্ছেন, সেখানে তার থেকে উৎসাহ পেয়েই তৃণমূল বিধায়কের এই ধরনের কান্ড কারখানা। আর এই পরিস্থিতিতে গোটা বিষয়ে এবার মন্তব্য করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।
সম্প্রতি ফারাক্কায় দেখতে পাওয়া গিয়েছে এক অন্য ছবি। যেখানে এসআইআরের শুনানিতে ডাকা সত্বেও যখন সকলেই সহযোগিতা করছেন, তখন হঠাৎ করেই সেখানে গিয়ে তান্ডব চালান তৃণমূল বিধায়ক এবং তার অনুগামীরা। রীতিমত অফিসের ভেতরে ঢুকে কাগজপত্র ছুড়ে ফেলে দেন তারা। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, এত সাহস এই তৃণমূল বিধায়ক পাচ্ছেন কোথা থেকে? আর তার সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কবে ব্যবস্থা হবে? কেন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? এরপরেও যদি নির্বাচন কমিশন চুপ করে বসে থাকে, যদি ব্যবস্থা গ্রহণ না হয়, তাহলে অনেকেই আইন ভাঙ্গার মত প্রশ্রয় পেয়ে যাবেন বলেই দাবি করতে শুরু করেছিল বিরোধীরা। অবশেষে গোটা ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
এদিন ফারাক্কায় বিডিও অফিসে তাণ্ডবের ঘটনায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়ালকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই প্রশ্নের উত্তরে পুলিশের কোর্টেই বল ঠেলে দেন তিনি। রাজ্যের সিইও বলেন, “এই ব্যাপারে কমিশন কোনো সুয়োমোটো করে না। এতে ক্রিমিনাল ল যে সিস্টেম আছে, তাতে এফআইআর হয়েছে। ৬ জন গ্রেপ্তার হয়েছে, তদন্ত চলছে। এতে পুলিশ দায়বদ্ধ আছে। পুলিশ কোর্টের কাছে দায়বদ্ধ। সব জিনিস কোর্টের কাছে পেশ করতে হবে।”
