Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

কলকাতা পুরভোটে নজিরবিহীন জয়ের হুঙ্কার সুকান্ত মজুমদারের! ২০৯ আসনের মধ্যে বিপুল মেজরিটির টার্গেট বিজেপির!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আসন্ন কলকাতা পুরসভা (KMC) নির্বাচনকে পাখির চোখ করে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়ল পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল বিজেপি। ডিলিমিটেশন বা ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের পর কলকাতার নির্বাচনী সমীকরণ সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। আর এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে কলকাতার পুরবোর্ডের ক্ষমতা দখল নিয়ে এক অভাবনীয় ও রেকর্ড জয়ের দাবি করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। কলকাতায় আয়োজিত দলের এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক নির্বাচনী বৈঠক শেষে সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এবার কলকাতার রাশ নিজেদের হাতে নিতে চলেছে গেরুয়া শিবির।

বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পুরসভার নির্বাচনকে নিয়ে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ছিল, সেটা হয়েছে। আমরা আপাতত পুনর্গঠিত ২০৯টি আসন নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করছি। এবার নির্বাচনে ১৫০-র উপরে আমাদের আসন নিশ্চিতভাবে যাবে। আমরা আশা করছি, আসন সংখ্যা ১৭০ থেকে ১৮০ অবধি পৌঁছে যাবে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, আগে কলকাতা পুরসভার মোট ওয়ার্ড ছিল ১৪৪টি। কিন্তু নতুন ডিলিমিটেশনের পর আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০৯টি। এই ২০৯টি আসনের মধ্যে ১৫০ থেকে ১৮০টি আসনে জয়ের দাবি করে সুকান্ত মজুমদার কার্যত বিরোধীদের মনস্তাত্ত্বিক চাপে ফেলে দিলেন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। উলেখ্য, দল ইতিমধ্যেই কলকাতা পুরভোটের মূল ইন-চার্জ (In-charge) হিসেবে সুকান্ত মজুমদারকেই দায়িত্ব দিয়েছে।

বিপুল আসন জয়ের এই লক্ষ্যমাত্রা ছোঁয়ার জন্য প্রার্থী চয়নের ক্ষেত্রে এক কড়া ও বাস্তববাদী রণকৌশল নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কোনো লবি বা চেনা পরিচিতির জোরে এবার টিকিট পাওয়া যাবে না। প্রার্থী পদের শর্ত নিয়ে তিনি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন: দলে কার কী পদ বা কে কত পুরনো, তা দেখা হবে না। একমাত্র যে প্রার্থীর মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা আছে এবং যার জেতার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি, দল তাকেই টিকিট দেবে। সুকান্ত বাবু স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো নেতা যদি এখনই নিজেকে কোনো ওয়ার্ডের প্রার্থী ভেবে বসে থাকেন, তবে পরে তাকে অনুশোচনা করতে হতে পারে। কারণ সম্পূর্ণ সমীক্ষার রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হবে।

Exit mobile version