Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

‘বিজেপিকে চেনা, বোঝা অত সহজ নয়!’ দলবাজি রুখতে সুকান্তর কড়া বার্তা! দিলেন বড়সড় ইঙ্গিত!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিতর্ক এবং আগামী দিনের রাজনৈতিক রণকৌশল নিয়ে এবার অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও আত্মবিশ্বাসী বার্তা দিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডক্টর সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যের ২৪৭টি কলেজের পরিচালন সমিতিতে দলীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়োগ নিয়ে যখন বিরোধী শিবির সরব, ঠিক তখনই সুকান্তবাবু স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, “কোনও দলবাজি হবে না। আমাদের জনতার কাজ করার জন্য বেশি সময় দরকার।” এর পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও বিশ্লেষকদের উদ্দেশ্যে তাঁর স্পষ্ট বার্তা—”আমরা আগামীদিনে কী করব, সব দেখতে পাবেন। বিজেপিকে চেনা, বোঝা অত সহজ নয়।” দলের সাংগঠনিক কর্মসূচি এবং সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্য বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দলের নীতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধান বিষয়গুলি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। কলেজে দলীয় বিধায়ক বা সাংসদদের বসানো হলেও শিক্ষা ক্ষেত্রে কোনও রকম স্বজনপোষণ বা দলবাজি বরদাস্ত করা হবে না। মেধার মূল্যায়ন এবং কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়নই হবে একমাত্র লক্ষ্য। তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ির চেয়ে মানুষের জন্য কাজ করাটা এই মুহূর্তে বেশি জরুরি এবং সাধারণ জনতার কাজ করার জন্য আরও অনেক বেশি সময় প্রয়োজন।

বিরোধীরা যেভাবে বিজেপির পদক্ষেপগুলিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে, তার জবাবেই তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, বিজেপির সাংগঠনিক রণকৌশল এবং দূরদর্শিতা বোঝা অত সহজ নয়। আগামী দিনে দল যে মানুষের স্বার্থে আরও বড় এবং সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে চলেছে, এই মন্তব্যের ভেতর সেই ইঙ্গিতই রয়েছে। সামনেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচনসহ একাধিক বড় রাজনৈতিক লড়াই রয়েছে। তার আগে সুকান্ত মজুমদারের এই “আগামীদিনে কী করব, সব দেখতে পাবেন” মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে উঠেছে জল্পনা।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, রাজ্যে ক্ষমতার হাতবদল হওয়ার পর প্রশাসনিক স্তরে যে সমস্ত জট রয়েছে, তা সরাতে এবং সাধারণ মানুষের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা শতভাগ প্রমাণ করতে বিজেপি বড়সড় কোনও নীতিগত পরিবর্তন আনতে চলেছে। বিজেপি শিবিরের দাবি—দল কোনোভাবেই শিক্ষাঙ্গনে বা প্রশাসনে স্বজনপোষণ সমর্থন করে না, এটি একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক শক্তি, যা সাধারণ মানুষের স্বার্থেই কাজ করবে এবং সুকান্তবাবুর বক্তব্য তারই প্রমাণ।

Exit mobile version