প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আজ সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় তার বক্তব্য রেখেছেন। প্রথমে তিনি যখন বক্তব্য রাখতে যান, তখনই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তার তো নির্দিষ্ট আইনজীবী রয়েছে। তিনিই এই ব্যাপারে যথেষ্ট দক্ষ। কিন্তু তারপরেও মুখ্যমন্ত্রী বলতে শুরু করেন। কিন্তু তিনি বলবেন, ঠিক আছে। তবে সুপ্রিম কোর্টে তিনি নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে যে সমস্ত ভুলভাল ইংরেজি শব্দ প্রয়োগ করেছেন, তাতে বাংলার মান সম্মান আবার ধুলুন্ঠিত হলো। দিনের শেষে এই সুপ্রিম শুনানিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনে তেমনটাই প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আজ গোটা দেশ তাকিয়ে ছিলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে ঠিক কি বলেন, সেই দিকে। এদিন আদালতে তিনি তার বক্তব্য রাখেন। কিন্তু তিনি যে সমস্ত ইংরেজি শব্দ প্রয়োগ করেছেন, তার বেশিরভাগটাই যে ভুলে ভরা এবং তার যে একজন অনুবাদক নিয়ে যাওয়া উচিত ছিলো, এবার সেই কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রীকে চরম বিপাকে ফেলে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তার স্পষ্ট দাবি যে, বাংলা থেকে যাওয়া একজন মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করছেন, অথচ তিনি ভুলভাল ইংরেজি বলছেন। ইংরেজিতে কেউ স্বাচ্ছন্দ হতে নাই পারে। তিনি বাংলাতেও বলতে পারতেন। আর সেই ভাবেই আবেদন করতেন। কিন্তু ইংরেজিতে বলার পরেও যে ভুলভাল শব্দ তিনি প্রয়োগ করেছেন, তাতে বাংলার মান, সম্মানই প্রশ্নের মুখে পড়েছে বলেই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে যে সমস্ত কথা বলেছেন, তা নিয়ে কটাক্ষ করেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “খুব দুর্ভাগ্যজনক। বাংলা মাধ্যম থেকে গিয়েছেন, সব ইংরেজিটা যে ঠিকঠাক করে বলবেন, তা নয়। ওনার অনুবাদক নিয়ে যাওয়া উচিত ছিলো। উনি যেভাবে ভুলভাল শব্দ উচ্চারণ করছিলেন এবং পাশ থেকে মাননীয় আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি সেটাকে সংশোধন করেছিলেন, এটা পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে আমাদের লজ্জা লেগেছে। বাংলায় বলতে পারতেন, অনুবাদক রাখতে পারতেন। সেগুলোও নিশ্চয়ই সুপ্রিম কোর্টকে পিটিশন করলে অনুমতি দিতো।”
