Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“সুপ্রিম কোর্টে কাদের জন্য ছুটে গিয়েছিলেন?” মোদীর পরেই অনুপ্রবেশ নিয়ে মমতাকে আরও ঝাঁঝালো আক্রমণ শুভেন্দুর!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গ যে ভারতবর্ষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাজ্য এবং এই রাজ্যের ভৌগোলিক চিত্রকে যে ক্রমশ বদলে ফেলার একটা চক্রান্ত চলছে, তার খবর রয়েছে দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে। আর সেই কারণেই বাংলাকে বাঁচাতে এখানে বিজেপি সরকারের আসা প্রয়োজন বলে বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে সেই কথা তুলে ধরছেন বিজেপি নেতারা। সম্প্রতি সংসদেও বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর জন্যই কেউ কেউ আদালতে ছুটে আসছেন। অর্থাৎ ঘুরিয়ে যে তিনি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দিকেই এই আক্রমণ করেছেন, তা বলার অপেক্ষায় রাখে না। আর দীর্ঘদিন ধরে এই রাজ্যে অনুপ্রবেশের মত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করছে বিরোধীরা। আর প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর এবার এসআইআরের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর আদালতে ছুটে যাওয়া নিয়ে আরও ঝাঁঝালো আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সংসদে বক্তব্য রেখেছেন। আর সেখানেই তৃণমূলের সাংসদদের উদ্দেশ্য কড়া আক্রমণ করেছেন তিনি। বাংলার কি পরিস্থিতি এই তৃণমূল সরকার করেছে, সেই কথা উল্লেখ করে অনুপ্রবেশ নিয়ে সোচ্চার হন প্রধানমন্ত্রী। ঘুরিয়ে তিনি বুঝিয়ে দেন যে, এই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছেন, তা দেশের পক্ষে অত্যন্ত বিপদজনক। এমনকি এসআইআরকে আটকানোর জন্য যেভাবে তিনি আদালত পর্যন্ত ছুটে এসেছেন, তাতে কোনোমতেই অনুপ্রবেশ কারীদের বাঁচানো যাবে না। আর প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও পোস্ট করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার গোটা ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিলেন তিনি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই প্রধানমন্ত্রীর যে মন্তব্য, তাকে সমর্থন করেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা নির্মম সরকার, বলেছেন, ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সব সীমা পার করেছে। বাংলাদেশী অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারী, রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে নির্লজ্জতার মাথা খেয়ে কোর্টে পর্যন্ত ঢুকে পড়ছে। ওনার বক্তব্যের তো বিষয় তাই এবং বলেছেন যে, ভারতীয়দের এটা দেখা উচিত। যারা প্রকৃত জাতীয়তাবাদে বিশ্বাস করে, তাদের উদ্দেশ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে, দেখুন কি করছে! কার জন্য লড়াই? একটা মুখ্যমন্ত্রী তিনদিন ধরে দিল্লিতে কাদের জন্য গিয়েছিলেন? কার স্বার্থে? অভয়ার জন্য গিয়েছিলেন? শিল্পের জন্য গিয়েছিলেন? টাটাকে বাংলার আনার জন্য গিয়েছিলেন? বাংলার উন্নতির জন্য গিয়েছিলেন? কাদের জন্য গিয়েছেন, আমরা জানতে চাই। বাঙালি হিন্দুদের হোম ল্যান্ড দিয়েছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এবং প্রণবানন্দ। আর সেই হোমল্যান্ড যারা ছিনিয়ে নিতে চায়, সেই জেহাদিদের জন্য উনি গিয়েছেন। এটাই বলেছেন। স্বাভাবিক কথা বলেছেন।”

Exit mobile version