প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
প্রথম দিন থেকেই বিরোধীরা দাবি করছেন যে, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বুঝতে পারছেন যে, যেভাবে এসআইআর হচ্ছে, তাতে তিনি ভোটে জিততে পারবেন না। তাই এখন গোটা বিষয়টিকে রাজনৈতিক রং লাগিয়ে সোচ্চার হচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি তিনি দিল্লি গিয়েছেন। আর আজ সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলায় সওয়াল করতে দেখা গিয়েছে। যেখানে একাধিক বক্তব্য রেখেছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি রাজ্যের বুকে যখনই তিনি কোনো সভা সমিতিতে যান, তখনই বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে একযোগে আক্রমণ করেন। সম্প্রতি তার সবথেকে বেশি অভিযোগ ছিল মাইক্রো অবজারভারদের নিয়ে। আর সেই বিষয়েই সুপ্রিম কোর্টে নিজের বক্তব্য তুলে ধরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ গোটা দেশের নজর ছিল সুপ্রিম কোর্টের দিকে যে, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কি কি কথা বলেন। এসআইআর সংক্রান্ত যে মামলা হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে তার কি কি যুক্তি তুলে ধরেন! অবশেষে আদালতের পক্ষ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর বলতে গিয়ে বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে রোল অবজার্ভারদের নিয়ে আসা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। এক্ষেত্রে ইআরওদের কোনো ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অনেক জীবিত লোকেরও নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিন সুপ্রিম কোর্টে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ইআরওদের কোনো ক্ষমতা নেই। রোল পর্যবেক্ষক বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিয়েছে। অনেকে জীবিত রয়েছেন। মাইক্রো অবজারভার সমস্ত নাম মুছে দিচ্ছেন।” আর মুখ্যমন্ত্রী যখন মাইক্রো অবজারভারদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন, যখন একাধিক নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়ার মত গুরুতর অভিযোগ করছেন দেশের শীর্ষ আদালতে, তখন পাল্টা মুখ খুললেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বললেন, “আমরা এই বিষয়ে নির্দেশ দেব।” স্বাভাবিক ভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট পরবর্তীতে কি নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
