Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত রাজ্যের, সরাসরি সীমান্ত পার করার মহানির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বাংলার সীমান্ত সুরক্ষায় এবং অনুপ্রবেশ রুখতে এক ঐতিহাসিক ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এক উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকের পর রাজ্যজুড়ে জারি হলো এক সম্পূর্ণ নতুন নিয়ম, যা কার্যত দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতাকে সরিয়ে রেখে এখন থেকে ধৃত অনুপ্রবেশকারীদের ক্ষেত্রে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজ্য পুলিশের যেকোনো শাখা বা রেলওয়ে পুলিশ কর্তৃক ধৃত যেকোনো অবৈধ বিদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আর আদালতে পেশ করে হেফাজতে রাখা হবে না। পরিবর্তে, তাঁদের সরাসরি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (BSF) হাতে তুলে দেওয়া হবে। ধৃত ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় মানবিক সহযোগিতা ও আহার প্রদান করে সরাসরি বনগাঁর পেট্রাপোল কিংবা বসিরহাটের বর্ডার আউটপোস্টে পাঠানো হবে, যেখান থেকে আইনি প্রক্রিয়ায় তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

প্রতিটি জেলা প্রশাসন ও পুলিশ কমিশনারেটকে এই নির্দেশ কঠোরভাবে পালন করতে বলা হয়েছে। প্রতি সপ্তাহে কতজন অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত ও হস্তান্তর করা হলো, তার সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট সরাসরি রাজ্য পুলিশের ডিজিপির মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী দফতরে (CMO) পাঠাতে হবে। আজ হাওড়া জেলায় এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী রেলওয়ে চত্বর ও স্টেশন এলাকাগুলিতে নজরদারি আরও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় সরকারের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) আওতাভুক্ত কোনো প্রকৃত শরণার্থী বা নিপীড়িত মানুষ যাতে এই প্রক্রিয়ায় কোনোভাবে হেনস্থার শিকার না হন, তার জন্য কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এই কঠোর পদক্ষেপ শুধুমাত্র সম্পূর্ণ অবৈধভাবে প্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই কার্যকর হবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নতুন ‘আটক ও বহিষ্কার’ নীতি সীমান্ত অপরাধ এবং অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করতে এক বড় হাতিয়ার হয়ে উঠবে।

Exit mobile version