Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

দিল্লির মন্ত্রে শুভেন্দুর মাস্টারস্ট্রোক! নলবনে ‘মায়ের নামে গাছ’, সবুজের ভণ্ডামিতে এবার বড় ধাক্কা!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-আজ জ্ঞান দিতে আসিনি, সস্তা পদ্য লিখে পরিবেশ বাঁচানোর ঢং করতেও আসিনি! আজ খতিয়ান দিতে এসেছি। বছরের পর বছর বিশ্ব পরিবেশ দিবস মানেই আমরা দেখেছি কিছু মেকি আবেগ, কিছু সস্তা প্রচার আর তারপর ফাইলে চাপা পড়ে যাওয়া কোটি কোটি টাকার তথাকথিত সবুজায়ন। কিন্তু সময় বদলেছে। বাংলায় এখন পরিবর্তনের হাওয়া নয়, চলছে আসল পরিবর্তনের কাজ! আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবসে কলকাতার নলবনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যা করে দেখালেন, তাতে যারা পরিবেশের নাম করে এতদিন ভাঁওতাবাজি করেছেন, তাদের রাতের ঘুম উড়তে বাধ্য। দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি যে বিশ্বজনীন আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন—”একটি গাছ মায়ের নামে”—আজ সেই পবিত্র মন্ত্রেই দীক্ষিত হলো গোটা বাংলা। মুখ্যমন্ত্রী নিজে চারাগাছ পুঁতে এই মহাযজ্ঞের সূচনা করলেন।

ভোটের বাজারে কুৎসা করা সহজ, কিন্তু কেন্দ্রের জনকল্যাণমুখী প্রকল্পকে বুকে টেনে নিয়ে রাজ্যের মানুষের স্বার্থে কাজ করার জন্য যে দূরদর্শিতা লাগে, তা আজ প্রমাণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। চলতি আর্থিক বছরে এক-আধটা নয়, গোটা রাজ্য জুড়ে ১.৫ কোটি চারাগাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছেন তিনি। ভাঙা রেকর্ড বাজানো বন্ধ করে এবার প্রতিটি ব্লক, প্রতিটি পঞ্চায়েত আর প্রতিটি পৌরসভায় একযোগে নামানো হচ্ছে চারাগাছ। শুধু গাছ লাগানোই শেষ কথা নয়, এবার গাছ বিলি হবে সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে—একদম স্বচ্ছতার সাথে, কোনো রাজনৈতিক স্বজনপোষণ ছাড়াই!

আমফান বা ইয়াসের মতো দুর্যোগে কলকাতার বুক থেকে যেভাবে শতাব্দীপ্রাচীন গাছগুলো হারিয়ে গেছে, তা নিয়ে এর আগে কারোর কোনো কার্যকর দাওয়াই দেখেছিলেন? দেখেননি! কিন্তু শুভেন্দুর সরকার আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে—ঘোলা জলে মাছ ধরা চলবে না। শহরের বড় গাছগুলোর বৈজ্ঞানিক রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন দপ্তর, পরিবেশ দপ্তর, CESC এবং কেএমসি (KMC)-কে এক টেবিলে বসিয়ে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। দুর্যোগ আসবে, কিন্তু প্রকৃতির এই অমূল্য সম্পদকে রক্ষা করার ঢাল তৈরি থাকবে আগে থেকেই।

সবচেয়ে বড় মাস্টারস্ট্রোক কোনটা জানেন? চাটুকারিতার সিলেবাস নয়, এবার বাংলার ছেলেমেয়েরা ছোটবেলা থেকেই শিখবে কীকরে নিজের মা আর ধরিত্রী মাতাকে রক্ষা করতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাব দিয়েছেন, স্কুলের সিলেবাসেই এবার বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হোক বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশের পাঠ। যারা এতদিন দিল্লির প্রতিটি ভালো উদ্যোগকে রাজনৈতিক চশমা দিয়ে এড়িয়ে চলতেন, আজ শুভেন্দু অধিকারীর এই পদক্ষেপ তাদের গালে এক বড় রাজনৈতিক চড়! মোদীজির দেখানো পথেই যে বাংলার প্রকৃত উন্নয়ন এবং সবুজায়ন সম্ভব—আজ নলবনের মাটি খুঁড়ে সেই সত্যিটাই প্রতিষ্ঠা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। শাবাশ মুখ্যমন্ত্রী! বাংলার মেকি বুলি নয়, এবার আসল ‘মা’ আর ‘ধরিত্রী মায়ের’ সেবায় নামল বাংলা। দেখতে থাকুন, বুক বাজিয়ে আগামী দিনে এই দেড় কোটি গাছই বাংলার বুক থেকে সবুজের রাজনীতির নামে চলা ভণ্ডামিকে উপড়ে ফেলে দেবে।

Exit mobile version