Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

“বিধায়ক পদ ছাড়লেও নন্দীগ্রামের ঋণ শোধ করব!”— আসন ছাড়া নিয়ে আবেগঘন শুভেন্দু!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়তে হলেও, এই মাটির মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক যে ছিন্ন হওয়ার নয়, তা অত্যন্ত আবেগঘন সুরে স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার নন্দীগ্রামের ধন্যবাদজ্ঞাপন ও নাগরিক সংবর্ধনা সভার মঞ্চ থেকে তিনি ঘোষণা করেন, আইনি নিয়ম মেনে ভবানীপুর আসনটি রাখার জন্য তাঁকে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদটি ছাড়তে হচ্ছে। তবে আসন ছাড়লেও তিনি নন্দীগ্রামের মানুষের পাশেই আছেন এবং আজীবন “নন্দীগ্রামের ঋণ শোধ করবেন” বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিন নন্দীগ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে শুভেন্দু অধিকারী মনে করিয়ে দেন, এই ঐতিহাসিক মাটির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কোনো পদের ওপর নির্ভর করে না। তিনি দাবি করেন, ২০০৯ সালেও তিনি যখন এখানকার বিধায়ক ছিলেন না, তখনও যেভাবে এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং এলাকার দেখভাল করেছিলেন, আগামী ৫ বছরও ঠিক সেভাবেই সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন। বিধায়ক পদ না থাকলেও নন্দীগ্রামের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতায় যে কোনো খামতি হবে না, সেই আশ্বাস দেন তিনি।

নন্দীগ্রামবাসী যাতে কোনোভাবেই ঘরের বিধায়কের অভাব বোধ না করেন, তার জন্য একটি বড় সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ব্যস্ততা বাড়লেও নন্দীগ্রামের দৈনন্দিন কাজ এবং এলাকার মানুষের সমস্যার কথা শোনার জন্য তিনি তাঁর ভাই তথা বিজেপি নেতা সৌমেন্দু অধিকারীকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন। এখন থেকে সৌমেন্দুই এলাকার কাজের তদারকি করবেন এবং সরাসরি তাঁর কাছে নন্দীগ্রামের মানুষের অভাব-অভিযোগ পৌঁছে দেবেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছাড়া নিয়ে বিরোধী শিবির যাতে কোনো অপপ্রচার বা রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে না পারে, শুভেন্দু অধিকারী অত্যন্ত সুকৌশলে এবং আবেগপূর্ণ বার্তার মাধ্যমে তার মোক্ষম জবাব দিলেন। ঘরের ছেলেকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পেয়ে নন্দীগ্রামবাসী যেমন গর্বিত, তেমনই তাঁর এই আশ্বাসে এলাকার মানুষ অত্যন্ত আশ্বস্ত।

Exit mobile version