প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বাংলায় কি তবে সত্যিই এবার শিল্পের খরা কাটতে চলেছে? বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য কি কোনো বড় মাস্টারস্ট্রোক দিতে চলেছে নতুন সরকার? কলকাতা বিমানবন্দর থেকে আসা একটি হাই-প্রোফাইল বৈঠকের খবর অন্তত সেই জল্পনাই উস্কে দিচ্ছে। দিল্লি সফর সেরে কলকাতায় ফেরার পথে দমদম বিমানবন্দরে দেশের প্রথম সারির পরিকাঠামো নির্মাণকারী সংস্থা লারসন অ্যান্ড টুবরো (L&T) গ্রুপের চেয়ারম্যান এস এন সুব্রহ্মণ্যমের সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই তাঁর অফিসিয়াল এক্স (টুইটার) হ্যান্ডেলে পোস্ট করে এই মেগা বৈঠকের খবরটি সামনে এনেছেন।
ভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় আধ ঘণ্টার এই বৈঠক কোনো সাধারণ সৌজন্য সাক্ষাৎকার ছিল না, বরং ছিল খাঁটি বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক স্তরের আলোচনা। রাজনৈতিক মহলের মতে, যারা এতদিন বাংলার শিল্প পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন, তাদের জন্য এই ক্ষিপ্রতা কি একটি বড় বার্তা নয়? দিল্লি থেকে ফিরেই বিমানবন্দর চত্বরকে কাজে লাগিয়ে লগ্নিকারীদের সঙ্গে সরাসরি টেবিলে বসে যাওয়া—প্রশাসনিক স্তরে সময়ের এই সঠিক ব্যবহারই তো এতদিন রাজ্যবাসী দেখতে চেয়েছিল!
সস্তা খয়রাতি বা সাময়িক সমাধান নয়, রাজ্যের শিক্ষিত ও দক্ষ যুবসমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও অর্থপূর্ণ কাজের সুযোগ তৈরি করাই এই আলোচনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল। বাংলার স্তব্ধ হয়ে থাকা অর্থনৈতিক গতিকে ত্বরান্বিত করতে এবং ভারী শিল্পের বিকাশ ঘটাতে একটি শক্তিশালী শিল্প ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
