Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা: ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার সময় শুধু দাঁড়ালে চলবে না, মেলাতে হবে ঠোঁটও!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি ‘বন্দে মাতরম’ গানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের ক্ষেত্রে কোনো রকম আপস বা অবহেলা বরদাস্ত করা হবে না। রবীন্দ্র সদনের মঞ্চ থেকে রাজ্যবাসীকে এই কড়া বার্তা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারি বা আনুষ্ঠানিক কোনো মঞ্চে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি গাওয়ার সময় কেবল চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ানোই যথেষ্ট নয়, প্রত্যেককে সশরীরে এবং আন্তরিকভাবে ঠোঁট মিলিয়ে এই গান গাইতে হবে।

শুক্রবার (২৬ জুন, ২০২৬) কলকাতার রবীন্দ্র সদনে আরএসএস (RSS)-এর পক্ষ থেকে ‘বন্দে মাতরম’ গানের সার্ধশতবর্ষ (১৫০ বছর) উদযাপন উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই জাতীয়তাবাদী মঞ্চে বক্তব্য রাখার সময়ই মুখ্যমন্ত্রী সভার একটি বিশেষ বিষয় লক্ষ্য করেন। তিনি দেখেন, সরকারি প্রোটোকল মেনে গানটি শুরু হওয়ার পর সভাগৃহে উপস্থিত সকলে উঠে দাঁড়ালেও, অনেকেই ঠোঁট মেলাচ্ছেন না বা গানটি গাইছেন না। এই প্রসঙ্গে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আমি লক্ষ্য করলাম, সরকারি সার্কুলার আছে বলে গানটি বাজার সময় সবাই সিট থেকে খাড়া হয়ে দাঁড়ালেন ঠিকই, কিন্তু অনেকেই ঠোঁট নাড়ালেন না।” এই মানসিকতার কড়া সমালোচনা করে তিনি স্পষ্ট জানান, জাতীয়তাবোধ এবং মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা কেবল মাত্র একটি নিয়ম রক্ষার বিষয় হতে পারে না।

মুখ্যমন্ত্রী আরও মনে করিয়ে দেন যে, বর্তমান রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় ইতিমধ্যেই সব সরকারি ও সরকার-পোষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ গানটিকে প্রতিদিনের প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই এই পুণ্যভূমিতে দাঁড়িয়ে দেশের এবং বাংলার এই ঐতিহাসিক আবেগকে যারা মন থেকে গ্রহণ করতে পারছেন না, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি প্রশাসনিক ও সামাজিক স্তরে অনুশাসন বজায় রাখার কড়া বার্তা দিয়েছেন।

Exit mobile version