প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা শিশির বাজোরিয়া। আর তারা যখন সেখানে প্রবেশ করেন, ঠিক তখনই চূড়ান্ত অসভ্যতা করে তৃণমূল পন্থী বিএলওরা। যেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে উদ্দেশ্য করে স্লোগান দেওয়া থেকে শুরু করে তাকে জুতো দেখানো হয়। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যখন ক্যাবিনেট মন্ত্রী সমতুল্য একটি পদ, যখন তিনি নিজের মত করে নিজেদের দাবি-দাওয়া জানাতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে এসেছিলেন, তখনই চূড়ান্ত অসভ্যতা কেন তার সঙ্গে করা হবে? কেন বিন্দুমাত্র শিষ্টাচার থাকবে না? তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। আর এই পরিস্থিতিতে এবার গোটা বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করলো রাজ্যের সিইও দপ্তর।
এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা কতটা তৃণমূলের কাছে আতঙ্কের কারণ, তা প্রতিমুহূর্তে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এসআইআর আবহে তৃণমূল রীতিমত চাপে। আর সেই কারণেই তারা তাদের দলদাস যে সমস্ত কিছু বিএলও আছে, তাদেরকে লেলিয়ে দিয়ে রোজ রাজ্যের সিইও দপ্তরের সামনে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা করছে। আর এসবের মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির আরও একজন নেতার শিশিরবাবু কমিশনের দপ্তরে নিজেদের কিছু কথা জানাতে গিয়েছিলেন। আর তারা যখন সেখানে প্রবেশ করেন, ঠিক তখনই দেখতে পাওয়া যায় যে, তৃণমূল পন্থী বিএলওরা হাতে জুতো নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই অসভ্যতা নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “সব ছবি তোলা থাকছে। মে মাসে ক্ষমতায় এলে উল্টো করে ঝোলানো হবে।” তবে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা যখন কোনো বিশৃঙ্খলার মধ্যে পা দিতে চাননি, যখন যেচে তাকে এইভাবে অসম্মান করা হয়েছে, তখন গোটা ঘটনা নিয়ে সোচ্চার হয় বিজেপি। আর এবার সেই ঘটনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দিয়ে জানতে চাইল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।
সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি অসম্মানের প্রতিবাদে এবার রাজ্যের সিইও দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। যেখানে কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে একটি চিঠি দিয়েছে সিইও দপ্তর। আর সেখানেই জানতে চাওয়া হয়েছে যে, শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি যেভাবে জুতো দেখিয়ে তাকে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে চিঠি দিয়ে সিইও দপ্তরের এই পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে এবার পুলিশের পক্ষ থেকে কি বলা হয়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
