প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাসঙ্গিকতা পেতে চাইছে বামেরা। শূন্য হয়ে যাওয়া বামেরা এখন মহাশূন্যের দিকে যাওয়ার জন্য হয়ত প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আর আর সেই কারণে বাংলার মানুষের মন না বুঝে তারা শুভেন্দু অধিকারীকে কাবু করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তৃণমূলের সঙ্গে যে তাদের একটা অভ্যন্তরীণ সেটিং রয়েছে, তা বুঝতে বাকি নেই জনতার। সম্প্রতি ভবানীপুরে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন যে, এটা হিন্দুস্থান, এখানে হিন্দুদের রাজত্ব চলবে। আর তাতেই খুব গায়ে লেগেছে বামেদের। তারা ভবানীপুর এবং বালিগঞ্জে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেছে। আর বামেদের এই অতিসক্রিয়তা নিয়েই এবার প্রশ্ন তুলে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এমনকি শুভেন্দু অধিকারীর যে মন্তব্য নিয়ে এত প্রশ্ন উঠেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতেও জবাব দিলেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী যেদিন থেকে বিরোধী দলনেতা হয়েছেন এবং যেদিন থেকে দল পরিবর্তন করেছেন, সেদিন থেকেই তাকে চাপে ফেলতে সব রকম চেষ্টা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিনিয়ত তার বিরুদ্ধে এই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন মামলা হয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই তাকে আটকানো যায়নি। যেখানেই শুভেন্দু অধিকারী কর্মসূচি করতে গিয়েছেন, সেখানেই পুলিশ তাকে বাধাদান করেছে। তবে আদালতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বুঝিয়ে দিয়েছেন, তাকে আটকানোর মত ক্ষমতা এই রাজ্যের শাসক দলের নেই। আর তৃণমূল কংগ্রেস যখন কোনোভাবেই তা পারছে না, তখন শুভেন্দু অধিকারীর সম্প্রতি করা একটি মন্তব্যকে হাতিয়ার করে বামেদের পক্ষ থেকে দুটি থানায় এফআইআর করা হয়েছে। যার ফলে প্রশ্ন উঠছে যে, বামেরা কি তাহলে তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং করে শেষ পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ করছে জন্য তাকে আটকানোর একটা শেষ চেষ্টা শুরু করে দিলেন? আর সেই বিষয় নিয়েই এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। যেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে নেতা বলে সম্বোধন করলেন তিনি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে বামেদের এফআইআর নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী সংবিধানকে লংঘন করার মত কোনো বক্তব্য রাখেননি। আমি শুভেন্দু অধিকারীকে ডিফেন্ড করার জন্য এখানে নেই। আর শুভেন্দু অধিকারী যা বলেছেন, তা অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন। আর যাদের কোনো কাজ নেই, যারা অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে, তারা বহু রকম চেষ্টা চরিত্র করে দেখেছেন। শুভেন্দু নেতা, তাই ওর বিরুদ্ধে এই সমস্ত এফআইআর করে বাজারে থাকার চেষ্টা করছে।”
