Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

‘মন্দির’ শব্দেই চরম অ্যালার্জি! তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে বাংলার গরিবের চিকিৎসা কেড়েছিল তৃণমূল, বিজ্ঞান ভবনে বিস্ফোরক শুভেন্দু!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-শুধুমাত্র রাজনৈতিক সংকীর্ণতা এবং ‘মন্দির’ শব্দের প্রতি চরম অ্যালার্জির কারণে এতদিন পশ্চিমবঙ্গের কোটি কোটি মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছিল তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। সোমবার নয়াদিল্লির বিজ্ঞান ভবনে কেন্দ্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (AB PM-JAY) প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরের পর এক তপ্ত সাংবাদিক বৈঠকে প্রাক্তন শাসকদলের তোষণ নীতি ও চিন্তাভাবনাকে এভাবেই তুলোধোনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানান, কেন্দ্রের নির্দেশিকা অনুযায়ী সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলির নাম ‘আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির’ রাখার কথা বলাতেই কেবল রাজনৈতিক অহংকারের বশে এই জনমুখী প্রকল্পে সই করেনি তৃণমূল সরকার।

এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে. পি. নাড্ডার উপস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে প্রাক্তন শাসকদলকে তীব্র নিশানা করে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লি এই প্রকল্পের তীব্র বিরোধিতা করেছিল। সেখানে আজ ওদের টাটা বাইবাই হয়ে গিয়েছে। রাজ্যের উন্নয়ন বিরোধী সরকারকে বাংলার মানুষ বিদায় দিয়েছে বলেই আজ এই ঐতিহাসিক দিনটি দেখতে পেল রাজ্যবাসী।” পূর্বতন জমানার কড়া সমালোচনা করে শুভেন্দুবাবু প্রশ্ন তোলেন, “আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির লেখা ছিল বলে সই করেনি তৃণমূল সরকার। ভেবে দেখুন, ওদের কী ধরনের চিন্তাভাবনা ছিল!”

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেন, নোংরা রাজনীতি করতে গিয়ে বাংলায় মহিলাদের জরায়ু মুখের ক্যানসার প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (HPV Vaccine) মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও জীবনদায়ী প্রকল্পও চালু করতে দেয়নি তৎকালীন তৃণমূল সরকার। বিজেপি শিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, রাজনৈতিক ক্রেডিট মোদী সরকার পেয়ে যাবে—এই ভয়েই বাংলার মা-বোনেদের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছিল। তবে বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর আর কোনো বঞ্চনা নয়, এবার থেকে দেশের ৩৬ তম রাজ্য হিসেবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবিমার সমস্ত সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গের সাড়ে ৬ কোটি নাগরিক।

Exit mobile version