প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বঙ্গ রাজনীতিতে শেষ দিন পর্যন্ত চর্চায় থেকে গেলেন মানুষটি। প্রথম দিন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে ছিলেন। তারপর ২০১৭ সালে বিজেপিতে যুক্ত হওয়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দলকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য প্রবল লড়াই দিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে জয়লাভ করার পর আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে যান মুকুল রায়। ধীরে ধীরে তার শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হতে শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরেই একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল রাত দেড়টা নাগাদ মৃত্যু হয় কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়কের। আর তার এই মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। দলমত নির্বিশেষে সকলেই মুকুল রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছেন। আর যখন তিনি বিজেপিতে ছিলেন, তখন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিলেন এই মুকুলবাবু। আর তাঁর প্রয়ানে তার সঙ্গেই ছবি পোস্ট করে শোকবার্তা জ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
একসময় তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতায় আনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল মুকুল রায়ের। তারপর রাজ্য রাজনীতি দিয়ে অনেক জল বয়ে যায়। সেই মুকুল রায় ২০১৭ সালে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যুক্ত হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অত্যন্ত আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। যখনই বাংলায় আসতেন প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, তখনই তাদের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ন বৈঠক থেকে শুরু করে কর্মসূচিতে দেখা যেত এই মুকুল রায়কে। পরবর্তীতে বিজেপির টিকিটে জয়লাভ করলেও আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে যান তিনি। তবে আজ সেই মুকুল রায়ের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। আর যখন তিনি বিজেপিতে ছিলেন এবং তার সঙ্গে থাকা একটি ছবি পোস্ট করে মুকুলবাবুর বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এদিন মুকুল রায়ের প্রয়াণে সোশ্যাল মিডিয়ায় তার সঙ্গে একটি পুরনো দিনের ছবি পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যেখানে মুকুল রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। আর সেখানেই প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রী মুকুল রায়জির প্রয়াণে শোকাহত। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সমাজসেবামূলক প্রচেষ্টা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর পরিবার ও সমর্থকদের প্রতি সমবেদনা জানাই। ওঁম শান্তি।”
