Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

তারাতলা বিপর্যয়: স্বজনহারাদের কান্নায় ভারী বাতাস, পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী; ক্ষতিপূরণ ঘোষণা!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-কলকাতার তারাতলায় তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া নির্মাণাধীন গুদামঘরের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে কতশত স্বপ্ন। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আজ শুধু ইঁট-পাথরের চাঁই ধসে পড়েনি, ভেঙে চূর্ণ হয়ে গেছে কয়েকটি শ্রমজীবী পরিবারের মেরুদণ্ড। এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপার্জনের একমাত্র আশাটুকুকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক বার্তা নিয়ে দাঁড়িয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

তারাতলার এই হাড়হিম করা দুর্ঘটনায় গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই দুঃখজনক পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল (PMNRF) থেকে অভাগা পরিবারগুলির সহায়তায় বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিটি শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে, যাতে দ্রুত তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যায়।

দুর্ঘটনার পর থেকেই তারাতলার ওই এলাকায় কান্নার রোল। নিখোঁজ শ্রমিকদের খোঁজে স্বজনদের আর্তনাদ আর আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে বাতাস। এক ফোঁটা আশার আলো খুঁজতে সেখানে দিনরাত এক করে কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), দমকল এবং স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন একযোগে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ধ্বংসাবশেষের নিচ থেকে প্রতিটি প্রাণকে বাঁচিয়ে ফিরিয়ে আনাই এখন প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজে গতি আনতে এবং আটকে পড়াদের দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছাতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় স্তরে সবরকম সমন্বয় বজায় রাখা হচ্ছে।

টাকার অঙ্কে কোনোদিনও হারিয়ে যাওয়া জীবনের মূল্য চোকানো যায় না। তবে এই চরম সংকটের দিনে প্রধানমন্ত্রীর এই আর্থিক সহায়তার হাত অভাগা পরিবারগুলোকে খানিকটা হলেও লড়াইয়ের শক্তি যোগাবে। এখন লক্ষ্য একটাই— দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করা এবং আহতদের সুস্থ করে ঘরে ফিরিয়ে আনা।

Exit mobile version