Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

টার্গেট কি সত্যিই মমতা? কপ্টারের সামনে ড্রোন-রহস্যে এবার বিহার যোগে মিলল হাড়হিম করা ইঙ্গিত!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধাসভা ভোটের তপ্ত আবহে এবার খোদ নিজের জীবনহানি নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ পূর্ব বর্ধমানের সমুদ্রগড়ের জনসভা থেকে তিনি যে অভিযোগ তুলেছেন, তাতে কার্যত তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য আকাশপথে বড়সড় কোনো নাশকতার ছক কষা হয়েছিল।

এদিন সমুদ্রগড়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মালদহ সফরের এক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, মালদহ থেকে সভা সেরে ফেরার সময় তাঁর হেলিকপ্টারের অত্যন্ত কাছে একটি ড্রোন উড়ে বেড়াচ্ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “ধাক্কা খেলে হেলিকপ্টারটা ধ্বংস হয়ে যেত। টার্গেটটা কী? আমার জীবন কাড়ার জন্য?” নেত্রীর এই আশঙ্কা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বাদানুবাদ।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন নিজেই জানান যে, এই ড্রোন ওড়ানোর ঘটনায় বিহারের কাটিহারের তিন যুবক— নূর আখতার, অঙ্কিত কুমার পাসোয়ান ও শ্রীকান্ত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে এই গ্রেপ্তারি নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য। তদন্তকারী সূত্রের একাংশের দাবি, ধৃতরা নাকি তৃণমূলেরই সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং ভালো ফুটেজ নেওয়ার জন্যই ড্রোনটি উড়িয়েছিলেন। যদিও পুলিশ ও প্রশাসন এই ‘নাশকতা’ বা ‘অসাবধানতা’—উভয় দিকই খতিয়ে দেখছে।

বিজেপি-সহ বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে ‘ভোটের আগে নাটক’ বলে কটাক্ষ করা হলেও, মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়েছেন তাঁকে ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না। হাই-সিকিউরিটি জোনে কার অনুমতিতে এই ড্রোন উড়ল, তা নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেও অস্বস্তি বাড়ছে। সত্যই কি প্রাণের ঝুঁকি ছিল, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো ‘মাস্টারপ্ল্যান’— সেই উত্তর খুঁজছে গোটা রাজ্য।

Exit mobile version