Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

তিনি নাকি ঘাসকে জন্ম দেন! অবস্থা বেগতিক বুঝেই কি যা ইচ্ছে তাই বলছেন মমতা?

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সত্যিই কি এবার পরাজয়ের পুরোপুরি আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন? এতদিন তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বুঝিয়ে দিচ্ছিল যে, তিনি এবার নির্বাচনে যথেষ্ট আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। কিন্তু ভোট ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর যেভাবে নির্বাচন কমিশন খেলতে শুরু করেছে, যেভাবে একের পর এক আধিকারিকদের বদল করার নির্দেশ আসছে, তাতে কি আরও দিশেহারা হয়ে পড়ছেন এই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান? তাই আর কোনোভাবেই ম্যানেজ করা যাবে না বুঝেঈ এবার কি ভোট প্রচারে নামার আগেই তিনি যা ইচ্ছে তাই বলতে শুরু করে দিলেন? এমনিতেই তার বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ট্রোলড হয়। আজ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে তিনি রাস্তায় নেমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যে সমস্ত কথা বললেন, তাতে হাসি থামাতে পারছে না বিরোধীরা।

আজ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল করা হয়েছে। আর সেই প্রতিবাদ মিছিল শেষেই বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তিনি যখন বক্তব্য রাখছিলেন, তখন তার চোখ মুখ দেখেই বোধা যাচ্ছিল যে, তিনি এবারের নির্বাচনে কতটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। এই রকম ভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অতীতে কেউ দেখেননি বলেই দাবি করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সবার বিরুদ্ধে লড়ে নেওয়ার হুংকার দিয়েছেন। সেরকম কথা তিনি প্রত্যেকটি ভোটের আগেই বলেন। কিন্তু এবারের ভোট যে অন্যরকম, তা বুঝেই দিশেহারা হয়ে মুখ্যমন্ত্রী আবার এদিনের সভা থেকে দাবি করলেন, তারা ঘাসে মুখ দিয়ে চলেন না। তারা নাকি ঘাসকে জন্ম দেন।

এদিন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিলের পর বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “সবকটাকে লড়ে নেব। আমরা কেউ ঘাসে মুখ দিয়ে চলি না। আমরা ঘাসকে জন্ম দিই। এটা মাথায় রাখবেন ভালো করে।” আর এখানেই বিরোধীরা বলছেন, দলের প্রতীক ঘাসের ওপর জোড়াফুল জন্যই কি মুখ্যমন্ত্রী এখন প্রকৃতির ওপরেও কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করছেন? তিনি ভালো গায়িকা, ভালো নাট্যকার, ভালো চিত্রশিল্পী, এটা এতদিন দেখেছিলো রাজ্যবাসী। কিন্তু এবার ঘাসকেও তিনি জন্ম দেন বলে যে সমস্ত কথা বললেন, তাতে প্রকৃতিও এখন এই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানকে দেখে ভয় পাবেন বলেই কটাক্ষ করছে বিরোধীরা।

Exit mobile version