প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- এসআইআর নতুন কিছু নয়। পশ্চিমবঙ্গের মত আরও একাধিক রাজ্যে এই প্রক্রিয়া হচ্ছে। কিন্তু কোথাও থেকে তেমন কোনো বিরোধিতার খবর পাওয়া যাচ্ছে না। একমাত্র সবথেকে বেশি এই এসআইআরের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। আজ সুপ্রিম কোর্টে সেই এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকেই তা নিয়ে বহুল প্রচার করছেন। অনেকেই আগে থেকে বলার চেষ্টা করেছেন যে, আজ একটা বড় কিছু হতে চলেছে। কিন্তু দিনের শেষে সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বক্তব্য তুলে ধরলেও, তিনি সেভাবে তার নিজের জন্য ভালো খবর আনতে পারেননি বলেই দাবি করছে বিরোধীরা। আর তার মধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে যাওয়া নিয়ে কটাক্ষ করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
আজ সকলের নজর ছিলো সুপ্রিম কোর্টের দিকে। যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুনানিতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন। যা নিয়ে অনেক সংবাদমাধ্যম ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে খবর করতে শুরু করেছেন। অনেকেই বলেছেন যে, বিপ্লব করে ফেলেছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, এক ইতিহাসিক দৃশ্যের সাক্ষী থেকেছে দেশ। কিন্তু সেই সমস্ত কিছুতে মনোনিবেশ না করে মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের তৎপরতা এবং এই এসআইআরকে আটকানোর জন্য যেভাবে তিনি সুপ্রিম কোর্টে পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছেন, তা নিয়ে দিল্লি থেকে সাংবাদিক বৈঠকে সোচ্চার হলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
এদিন দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন তিনি। শমীকবাবু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বুঝে গিয়েছেন, তৃণমূলের সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আজ সুপ্রিম কোর্ট থেকে শুরু করে সব জায়গায় ধর্না চলছে। একসময় এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশিদের লিস্ট ফেলে চলে এসেছিলেন। আজ সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন, বাংলাদেশের রোহিঙ্গাদের রাখতে।” অর্থাৎ ভোটে জেতার জন্য অবৈধ ভোটারদের যে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেই উদ্দেশ্য নিয়েই যে তিনি এসআইআর আটকানোর একটা মরিয়া চেষ্টা করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে বিরোধীদের কাছে।
