Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

তৃণমূলের সংহতি দিবসে থাকবেন না! ৬ ডিসেম্বর আলাদা কর্মসূচি করছেন তৃণমূল বিধায়ক!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
দলের সঙ্গে ক্রমাগত দূরত্ব বাড়ছে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্রমাগত ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে চলতি মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত দলকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি। আর তারপরেই তিনি আলাদা দল গড়ার একটা ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছেন। স্বাভাবিকভাবেই তিনি তার ভবিষ্যৎ রননীতি কি হবে এবং তা নিয়ে কি সিদ্ধান্ত জানাবেন, সেদিকে সকলেই তাকিয়ে রয়েছেন। তবে এবার এসআইআর আবহে তৃণমূল কংগ্রেস প্রত্যেকবার যেভাবে সংহতি দিবস পালন করে, তার থেকে অনেকটাই বড় করে সেই কর্মসূচি পালন করতে চলেছে। কিন্তু সেই কর্মসূচির দিনেই তিনি যে অন্য কর্মসূচি নিয়ে রেখেছেন এবং সংহতি দিবসের দলের কর্মসূচিতে তিনি নিজে যে থাকতে পারবেন না, তা জানিয়ে দিলেন হুমায়ুন কবীর।

সম্প্রতি বারবার দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। দলের সঙ্গে তিনি যে খুব দ্রুত সম্পর্ক ছিন্ন করতে চলেছেন, সেই রকম একটি আভাসও দিয়ে রেখেছেন। আর এই পরিস্থিতিতে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, আগামী ৬ ডিসেম্বর তৃণমূল প্রত্যেক বছরের মত এই বছরও সংহতি দিবস পালন করবে। তবে এসআইআরের আবহে সেই কর্মসূচি আরও বড় করে পালন করার কথা ভাবছে রাজ্যের শাসক দল। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে তিনি যে থাকতে পারবেন না, তা জানিয়ে দিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক।

এদিন এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হুমায়ুন কবীর বলেন, “৬ ডিসেম্বর আমি আপনাদের আগেই বলেছিহ বাবরি মসজিদের একটা ভিত্তি স্থাপন করা হবে। কাজেই আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক যে সংহতি দিবস পালন করবেন, সেখানে আমি উপস্থিত থাকতে পারব না।” আর এখানেই তৃণমূল বিধায়ক স্পষ্ট করে দিলেন যে, তিনি তার পূর্বনির্ধারিত যে কর্মসূচি সেদিন রেখেছেন, তিনি সেই কর্মসূচির বাইরে দল যত বড়ই কর্মসূচি পালন করুক না কেন, তিনি সেই কর্মসূচিতে শামিল হতে পারবেন না। স্বাভাবিকভাবেই তার এই বক্তব্য যে দলের আরও বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে গেল এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন বিধায়ক যেভাবে সংহতি দিবসের অনুষ্ঠানে নিজের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির জন্য উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানিয়ে দিলেন, তাতে তৃণমূল যে অত্যন্ত চাপে পড়ে গেল, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version