Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ভোটে রিগিংয়ের দিন শেষ! এবার বুথের বাইরেও সিসিটিভি! শুনেই কি বললেন দিলীপ?

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গের জনতা প্রস্তুত আছে, তৃণমূলকে উৎখাত করার জন্য। কিন্তু প্রত্যেকটি ভোটেই জনতা এভাবে প্রস্তুত থাকলেও, দিনের শেষে তাদের নিরাশ হয়ে যেতে হয়। কারণ, যেদিন ভোট হয়, সেদিন জনতা তাদের মূল্যবান ভোটটুকু দিতে পারে না। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী ভূমিকা নিয়েও অনেক সময় প্রশ্ন ওঠে। অনেক সময় প্রশ্ন ওঠে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও। কেননা নির্বাচন কমিশন এই বাংলার জন্য কড়া ট্রিটমেন্ট গ্রহণ না করলে বাংলায় যে কোনোদিনই অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে না, তা খুব ভালো করেই জানেন সাধারণ জনতা থেকে শুরু করে বিরোধী দলগুলো। ইতিমধ্যেই এসআইআর হওয়ার ফলে অবৈধ ভোটারদের নাম বাদ যাওয়ার কারণে তৃণমূল যথেষ্ট চাপে রয়েছে। এখন তাদের একটাই চেষ্টা, যেভাবেই হোক, অবৈধভাবে ভোট দিয়ে বুথে জ্যাম করে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা। কিন্তু সেই চেষ্টাও বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একাধিক করা সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে খবর। যার মধ্যে অন্যতম, শুধুমাত্র বুথের ভেতরে নয়, এবার বুথের বাইরেও তৃণমূলের নেতাদের দাদাগিরি বন্ধ করতে সিসিটিভি বসানো হতে পারে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। আর সেই বিষয়কে স্বাগত জানিয়েই বড় মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন তৈরি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ যে প্রস্তুত এবার তৃণমূলকে সরানোর ব্যাপারে, সেই ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই। তবে মানুষের মধ্যে একটাই ভয় যে, তারা তো বিজেপিকে ভোট দেবেন। কিন্তু দিনের শেষে সেখানেও কারচুপি হয়ে যাবে না তো? তৃণমূল আবার দুষ্কৃতীদের দিয়ে বুথ দখল করে সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারটুকু কেড়ে নেবে না তো? তবে সেই চেষ্টাও বন্ধ করতে এবার বুথের ভেতরে যেমন সিসিটিভি লাগানো হয়, ঠিক তেমনই বুথের বাইরেও তৃণমূল নেতারা যাতে কোনো মানুষের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, তার জন্য সিসিটিভি লাগানো হবে বলেই খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই বিষয় নিয়েই এবার আশা প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

এদিন এই ব্যাপারে দিলীপ ঘোষকে একটি প্রশ্ন করা হয়। আর সেই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এটা সমস্ত মানুষ চাইছেন। কারণ লোককে দাঁড় করিয়ে রেখে ভোট করানো হয়। প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসারদের কানের কাছে বন্দুক রেখে ছাপ্পা ভোট মারা হয়। জনতা ভোট দিতে গেলে লোকে দাঁড়িয়ে থাকে, দেখে, কোথায় ভোট দিয়েছে। এইরকম অনেক চালাকি হয়। আমরা চাইবো, এগুলো বন্ধ হোক। ওখানে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকে। কিন্তু হয় বন্ধ থাকে, তা নাহলে কাপড় চাপা দিয়ে দেওয়া হয়। তাতে কোনো রেকর্ডিং হয় না। তাই এর পরিবর্তন চাই। মানুষ যাতে নিজের মতামত ঠিকঠাক প্রয়োগ করতে পারে।”

Exit mobile version