Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ভোটের আগে মতুয়া আবেগে শান মমতার! “লাভ হবে না” পাল্টা শুভেন্দু!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যতই চেষ্টা করুন, তিনি এবার আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবেন না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মনে একটা বিষয় স্থাপন হয়ে গিয়েছে যে, এবার তারা তৃণমূলকে ফিরিয়ে আনবেন না। আর সেই কারণে মানুষ সাহস করে বাইরে বেরিয়ে এবার নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে পরিবর্তনের একটা শেষ চেষ্টা করবেন। এটা সাধারণ মানুষের বডি ল্যাঙ্গুয়েজের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। অন্তত বিশেষজ্ঞরা তেমনটাই বলছেন। আর যখন কোনোভাবেই সাধারণ মানুষের মন পাওয়া যাবে না বুঝতে পারছেন মুখ্যমন্ত্রী, তখন তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মন পাওয়ার জন্য বিভিন্ন নাটক শুরু করে দিয়েছেন। একসময় মতুয়াদের সিএএর বিরুদ্ধে ভুল বুঝিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন প্রচার করেছিলেন। আর যখন বিপদ আসন্ন, যখন ভোট তিনি পাবেন না বুঝতে পারছেন, যখন মতুয়াদের নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ করে নিজেদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকার, ঠিক তখনই আবার সেই মতুয়া আবেগে শান দেওয়ার চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মুখ্যমন্ত্রী এই সমস্ত চেষ্টা করলেও লাভের লাভ যে কিছুই হবে না, মতুয়াদের সমস্ত সমর্থন যে বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদীই পাবেন, তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ বদলাতে শুরু করেছে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এতদিন প্রচার করা হয়েছিল সিএএর বিরুদ্ধে। এমনকি যে সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ, মতুয়াদের পাশে দাঁড়ানোর কাজ কেন্দ্রীয় সরকার শুরু করেছিলেন, তার বিরোধিতা করে মতুয়াদের ভুল বোঝাতে শুরু করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। আর সেটা খুব ভালো মতই ধরে ফেলেছে মতুয়ারা। তাই এখন তার বুজরুকি ধরা পড়ে গিয়েছে জন্য তিনি আবার মতুয়া আবেগে শান দিয়ে ভোট পাওয়ার চেষ্টা করছেন‌। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেই কৌশল ধরে নিয়ে তাকে পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বুঝিয়ে দিলেন, মতুয়াদের প্রকৃত সম্মান যদি কেউ দিয়ে থাকে, তাহলে সেটা নরেন্দ্র মোদী দিয়েছেন। এমনকি মতুয়াদের সকলের সমর্থন বিজেপি পাবে বলেও আত্মবিশ্বাসী নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “মতুয়ারা সব মোদীজির সঙ্গে আছেন। ৪৫ সাল থেকে যে নাগরিকত্বের লড়াই, সেটা নরেন্দ্র মোদী সিএএ করে দিয়েছেন। মমতা ব্যানার্জি হরিচাঁদ ঠাকুর, গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম বিকৃত করে বক্তব্য রেখেছেন। উনি বীণাপাণি দেবী মা সম্পর্কে বলেছেন যে, আমার টাকায় চিকিৎসা হয়েছে। ঠাকুর পরিবারকে আক্রমণ করেছেন। শুধু তাই নয়, সিএএর সবথেকে বড় বিরোধিতা যদি কেউ করে থাকেন, তাহলে সেটা মমতা ব্যানার্জি করেছেন। তাই মতুয়া, নমঃশূদ্রদের নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। ১০০ তে ১০০ ভাগ তারা মোদীজির সঙ্গে আছেন এবং মোদীজিও তাদের সঙ্গে আছেন।”

Exit mobile version