Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ভোটের আগেই কেন রাজ্যপাল বদল? মুখ খুলে চমকে দিলেন শুভেন্দু!

 

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
গতকাল হঠাৎ করেই খবর আসে যে, রাজ্যের রাজ্যপালের পর থেকে দিল্লিতে গিয়ে পদত্যাগ করেছেন সিভি আনন্দ বোস। তবে এর ঠিক কি কারণ রয়েছে, তা এখনও কেউ জানে না। অনেকেই বলছেন, অসুস্থতার কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন। আবার অনেকে বলছেন, এর পেছনে বড় কোনো কারণ থাকতে পারে। কারণ সিভি আনন্দ বোস সেভাবে তার কাছ থেকে এই সরকারকে চাপে ফেলার মত যে প্রত্যাশা অনেকে করেছিলেন, তা তিনি করতে পারেননি। উল্টে তিনি তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন। তাই ভোটের মুখে তাকে কি পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? এই সমস্ত বিষয় উস্কে উঠছে। ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আর এন রবিকে। আর হঠাৎ করে রাজ্যপালের পদত্যাগ এবং অন্য আরও একজনের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে আসা নিয়ে এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এক সময় জগদীপ ধনকর যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন, তখন তিনি তৃণমূল সরকারকে রীতিমত জর্জরিত করে দিয়েছিলেন। বিভিন্ন বিষয়ে এই তৃণমূল সরকার চাপে পড়তে শুরু করেছিল সেই রাজ্যপালের ভূমিকায়। তবে তারপর সিভি আনন্দ বোস পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হলেও, তিনি সেভাবে তৃণমূল সরকারকে চাপে রাখতে পারেননি। চোখের সামনে একের পর এক অন্যায়, অবিচার ঘটে গেলেও রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে তার কাছ থেকে বিরোধীরা যা আশা করেছিল, তা তিনি করতে পারেননি বলেই অনেকে মনে করেন। আর এই পরিস্থিতিতে ভোটের মুখে সেই সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাহলে কি এর পেছনে বড় কোনো কারণ রয়েছে? হঠাৎ করে কেন রাজ্যপাল পদত্যাগ করলেন? এবার সেই বিষয়ে বলতে গিয়েই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদত্যাগ এবং আর এন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী রাজ্যপাল করা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “আমার এটা বলা বারণ আছে। রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি। কেন্দ্রীয় সরকার এরকম সিদ্ধান্ত বিভিন্ন সময় নেয়। কারণ না জেনে বলা ঠিক হবে না। হেলথ গ্রাউন্ড হতে পারে, অথবা তাকে ভারত সরকার অন্য কাজেও লাগাতে পারেন। উনি বিশিষ্ট মানুষ, শিক্ষাবিদ। তাই আমাদের এটা নিয়ে মন্তব্য করা উচিত হবে না। তৃণমূল উদ্বিগ্ন হতে পারে। আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।”

Exit mobile version