প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে রীতিমত প্রত্যেকটি ইস্যুতে চেপে ধরছেন। যার ফলে তৃণমূল এমনিতেই অস্বস্তিতে। তারা অত্যন্ত চিন্তায় রয়েছে যে, এবার তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে কি না। কারণ হিন্দু ভোটকে একত্রিত করার কাজ করছে বিজেপি। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তৃণমূলের চাপ বাড়িয়ে যেভাবে হুমায়ুন কবীর আলাদা দল গঠন করে মিমের সঙ্গে জোট করে লড়াই করার কথা ভাবছে, তাতে তৃণমূলের যে সংখ্যালঘু ভোট তাদের দখলে ছিলো, সেটা না পেলে তাদের যে ক্ষমতায় আসা হচ্ছে না, তা ভেবে রীতিমত আশঙ্কায় দিন কাটছে রাজ্যের শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের। আর সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা বলে পরিচিত মালদহে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তাজমুল হোসেনের কেলেঙ্কারি ফাঁস স করে দিলেন তৃণমূলেরই প্রাক্তন নেতা তথা বর্তমানে জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর। এক্ষেত্রে হরিশ্চন্দ্রপুরে গিয়ে তাজমুল হোসেনকে তোলাবাজ বলে কটাক্ষ করলেন তিনি।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার কাজ শুরু করে দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। নতুন দল গঠন করে একেবারে তৃণমূল এবং বিজেপি, দুই শক্তিকেই আটকে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। আর এই পরিস্থিতিতে গতকাল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের মহেন্দ্রপুরে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন হুমায়ুনবাবু। আর সেখান থেকেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। রাজ্যের এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোলাবাজির মত মারাত্মক অভিযোগ করে বসেন হুমায়ুন কবীর।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হুমায়ুন কবীর। আর সেখানেই তিনি বলেন, “এখানকার যিনি মন্ত্রী, তাজমুল হোসেন, তিনি গাড়ি চেপে ঘুরে বেড়ান। হাওয়া খেয়ে বেড়ান। আর এখানে নীচুতলায় তোলাবাজি করে তার আত্মীয়-স্বজনরা। সেই তোলাবাজির কিছু ভাগ বাটোয়ারা পাঠাতে হয়। কারণ ৭৫ আর ২৫ এর রেশিও ওপেন ঘোষণা করেছিল নেত্রী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজেই তাজমুল সাহেবও তো তার বাইরে যেতে পারেন না।”
