প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ভোটের নির্ঘণ্টা এখনও ঘোষণা হয়নি। কিন্তু তার আগেই উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ। ইতিমধ্যেই গঙ্গাসাগরে এক বিজেপি নেতাকে গুলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যে ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে বিজেপি। আর এই পরিস্থিতিতে প্রত্যেকটি ভোটেই যখন বাংলায় সন্ত্রাস হয়, তখন এবার কিভাবে সেই সন্ত্রাস মোকাবিলা করা সম্ভব, তার চেষ্টা করছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোট ঘোষণার আগেই যেভাবে এক বিজেপি নেতাকে গুলি করে চেষ্টা করা হলো, সেই ঘটনায় প্রতিবাদে মুখর হয়েছে বিরোধীরা। আর এই পরিস্থিতিতে এবার নির্বাচন কমিশনের কাছে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ এর বিধানসভা ভোটের আগেই উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে বিভিন্ন এলাকা। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল যে ভয় দেখানোর চেষ্টা করবে এবং তারা পরাজয়ের আতঙ্কে যে ভুগছে, তা খুব ভালো মতই উপলব্ধি করেছে বিজেপি। আর তার মধ্যেই গঙ্গাসাগরে ঘটে গিয়েছে এক ভয়াবহ ঘটনা। যেখানে এক বিজেপি নেতাকে গুলি করা হয়েছে। আর সেই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আর এই পরিস্থিতিতে ভোটের আগেই যদি এই পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তাহলে ভোট চলাকালীন কতটা হিংসাত্মক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে এই রাজ্যের শাসক দল, তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বিরোধীদের মধ্যে। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এবার নির্বাচন কমিশনের কাছে বিচার চাওয়া ছাড়া যে আর কোনো উপায় নেই, তা উপলব্ধি করেই এই হিংসা বন্ধ করতে বড় দাবি জানালেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই গঙ্গাসাগরে বিজেপি কর্মীকে গুলি করার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, “সাগরের মত শান্ত জায়গা, যেখানে পালানো যায় না। সেখানেও দিনে দুপুরে গুলি করা হচ্ছে। রিটায়ার্ড মাস্টারমশাই, যাকে গুলি করা হয়েছে, তিনি আমাদের ওখানকার একজন প্রমুখ কার্যকর্তার বাবা। সাগরদ্বীপে যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে, তাহলে কলকাতার বুকে কি হবে? তাই নির্বাচন কমিশন যেহেতু আছে, তাই তাদের এই বিষয়টি নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত এবং কড়া পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।”
