প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে নির্বাচন হয় এভাবে আর এই বছর অন্তত নির্বাচন হবে না। নির্বাচন কমিশন প্রথম দিন থেকেই নিজেদের একের পর এক সিদ্ধান্ত এবং বার্তার মধ্যে দিয়েই তা স্পষ্ট করে দিচ্ছে। যার ফলে জনতার মধ্যেও একটা অভয় তৈরি হয়েছে এবং বিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে, এবার হয়ত গণতন্ত্রকে উৎসবের মত করে পালন করতে সব রকম চেষ্টা করা হবে কমিশনের পক্ষ থেকে। প্রত্যেকবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। কিন্তু ভোট ঘোষণা হওয়ার আগেই এবার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরবর্তীতে ভোট ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন জায়গায় রুটমার্চ করতে দেখা যাচ্ছে তাদের। তবে এই বছর পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে হিংসা বন্ধ করতে এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে রেকর্ড সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে।
ইতিমধ্যেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। ধীরে ধীরে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। শুরু হয়ে গিয়েছে প্রচার। আর এই পরিস্থিতিতে মানুষের মনে ভয় মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার আগে থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। তবে এবার যে খবর পাওয়া গেল, তাতে সমস্ত রেকর্ড ভেঙে এবার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের জন্য রাজ্যে প্রায় আড়াই লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এবার রাজ্যে দুই দফায় নির্বাচন হতে চলেছে। তবে এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে বলেই খবর। তবে এখানেই শেষ নয়, আরও বিপুল মাত্রায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসতে পারে। যেখানে সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই লক্ষের মত কেন্দ্রীয় বাহিনীর এবার পশ্চিমবঙ্গে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যার মধ্যে দিয়ে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে, এবার নির্বাচনে কোনো পায়তারা বরদাস্ত করবে না নির্বাচন কমিশন। মানুষের মনে ভয় এবং হিংসা কেউ যদি প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে, তাহলে তাদেরকে যে টাইট দেওয়ার জন্যই এই বিপুল মাত্রায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আসা হয়েছে, তা নিয়ে কোনো দ্বিমত নেই বিশেষজ্ঞদের মধ্যে। তবে রাজ্যে প্রত্যেকবারই ভোটের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। কিন্তু তাদের সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয় না বলে অভিযোগ করে বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে এবার বিপুল মাত্রায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও ভোটের কাজে তাদের ঠিকমত ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা এবং দিনশেষে গণতান্ত্রিক উৎসব ভয় মুক্ত ভাবে পালন করা যায় কিনা, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
