Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ভোটের সময়ই নাকি ইডির তল্লাশি? তৃণমূল চেঁচামেচি করতেই আদালতে ঘোল খাওয়ালেন কেন্দ্রের আইনজীবী!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এখনও পর্যন্ত নির্বাচন ঘোষণা হয়নি। কিন্তু প্রত্যেক বছরই যেহেতু নির্বাচন থাকে এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সি যেহেতু নিজেদের মত করে চলে, তাই যখনই তারা এই রাজ্যে কোনো ব্যাপারে তল্লাশি চালায় বা রাজ্যের কোনো হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীদের বাড়িতে এজেন্সি পৌঁছে যায় তদন্তের জন্য, তখনই তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, সামনে নির্বাচন। তাই তার আগে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নাকি এজেন্সি কাজ করছে। তবে তৃণমূলের এই বস্তা পচা দাবি যে আর কোনো মহলেই প্রাধান্য পাচ্ছে না, তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে জনসাধারণের বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই। আর এসবের মধ্যেই আজ কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি ছিলো। আর সেখানেই তৃণমূল যে দাবি করতে শুরু করেছে যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ভোটের আগে এই ধরনের কাজ করছে, তাদের সেই বক্তব্যকে রীতিমত খন্ডন করে পাল্টা যে কথা বললেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী, তাতে যথেষ্ট চাপে পড়ে গেল এই রাজ্যের শাসক দল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজ কলকাতা হাইকোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনারির দিকে নজর ছিল গোটা রাজ্যবাসীর। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে এই ব্যাপারে জোড়া পিটিশন দাখিল করেছে ইডি। তাই কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি মুলতবি করার আবেদন জানিয়েছেন তারা। তবে সেই শুনানি চলাকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী তৃণমূলের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, সব সময় ভোট আসার আগে যদি এজেন্সি কোনো কাজ করে, তাহলেই তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজ করছে বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে যে কথা বলা হয়, তা সর্বৈব ভিত্তিহীন। কিন্তু ঠিক কি বলেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী?

এদিন ইডির তল্লাশি অভিযান নিয়ে তৃণমূলের যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় এজেন্সি কাজ করছে বলে যে সমস্ত দাবি সামনে এসেছে, তার পাল্টা আদালতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী। তিনি বলেন, “তৃণমূলের মামলায় ২০২৬ সালের নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। ভোটের আগে তথ্য নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এখনও তো ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হয়নি। তাহলে তো নির্বাচন কমিশনকেও মামলায় যুক্ত করতে হবে। মামলায় এসআইআরের কথা বলা হয়েছে। আইপ্যাক এসআইআর নিয়ে কাজ করছে। কোনো রাজনৈতিক দলের অফিসে তো যাওয়া হয়নি। তৃণমূলের মামলায় ভোটের কথা বলা হয়েছে। এর সঙ্গে ভোটের তাহলে কি সম্পর্ক?” অর্থাৎ এই রাজ্যের শাসক দল যখনই এজেন্সি কোথাও কোনো তল্লাশি চালায় এবং তা তাদের বিরুদ্ধে যায়, তখনই তারা নির্বাচনের আগে উদ্দেশ্য প্রমাণিতভাবে কাজ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। তবে এক্ষেত্রে তাদের এই সমস্ত ভাওতাবাজির মুখোশ আদালতেই তুলে ধরে পাল্টা শাসকের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবী বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version