Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

ভোট ঘোষণার আগেই প্রবল চাপে মমতা? ভবানীপুরে পৌঁছেই মাস্টারস্ট্রোক সুকান্তর!

 

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
হাতে আর কয়েকটা দিন বাকি। তারপরেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে। কিন্তু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হবে, তারপরে তারা ভোটের লড়াইয়ে নামবেন! অতীতের মত আর সেই ভুল করতে চাইছে না বিজেপি। তাই এখন থেকেই বিভিন্ন বিধানসভায় তারা জনসংযোগের কাজে বেরিয়ে পড়েছে। এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যেকটি সভা থেকে দাবি করছেন যে, ২০২১ এ তিনি যেমন নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন, ২০২৬ সালেও তিনি ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করবেন। কিন্তু ভোটে জেতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা এই সমস্ত কথা বলেই থাকেন। ফলে এটা আবহাওয়া গরম করার জন্য এবং বিজেপির পক্ষে সমর্থন আনার জন্য বলে নিন্দুকরা বলতে শুরু করেছিলেন। তবে সমালোচকদের মুখে ঝামা ঘষে বিজেপি যে একদম তৃণমূলের সবথেকে বড় সুরক্ষিত কেন্দ্র, যে তৃণমূলের মুখকে দেখে প্রত্যেকটি বিধানসভায় তৃণমূল জেতার চেষ্টা করে, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই পরাজিত করার জন্য একেবারে ব্লু প্রিন্ট ছকে নিয়েছে, তা আরও একবার আজ স্পষ্ট হয়ে গেল।

এতদিন বিভিন্ন মহলে একটা চর্চা শুরু হয়েছিল যে, শুভেন্দু অধিকারী প্রত্যেকটি ক্ষেত্রেই যেভাবে বলছেন যে, নন্দীগ্রামের মত ভবানীপুরেও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাবেন, সেটা কি আদৌ সম্ভব হবে? যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের প্রধান মুখ, তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, তাকে তার কেন্দ্রে পরাজিত করা কি অতই সহজ? বিষয়টা সহজ নাকি কঠিন, সেটা তো ভোটের ফলাফলে বোঝা যাবে। কিন্তু বিজেপি যে আন্তরিক ভাবেই চাইছে এই ভবানীপুর কেন্দ্রে পদ্ম ফোটাতে, তা আরও একবার দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গেল। যারা সেটিংয়ের কথা বলেন, তাদের মুখে রীতিমত ঝামা ঘষে দিয়ে এই রাজ্যের বিজেপির অন্যতম প্রধান মুখ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার আজ পৌঁছে গেলেন ভবানীপুরে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একেবারে খাসতালুকে গৃহ সম্পর্ক অভিযান থেকে শুরু করে দেওয়াল লিখন করে ভোটের দামামা বাজিয়ে দিলেন তিনি।

সূত্রের খবর, এদিন ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে পৌঁছে যান রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের চক্রবেড়িয়া রোডে দেওয়াল লিখন করেন তিনি। পাশাপাশি গৃহ সম্পর্ক অভিযানের মধ্যে দিয়েও জন সংযোগ করতেও দেখা যায় রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতিকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিজেপির এই রাজ্যের অন্যতম প্রধান মুখ যারা রয়েছেন, তারা বারবার করে ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করার কথা বলছেন। তবে শুধুমাত্র কথায় আটকে থাকা নয়‌। এবার কাজেও করে দেখিয়ে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগের মধ্যে দিয়ে ভোট ঘোষণার আগেই ক্রমাগত এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চাপ বাড়াচ্ছে পদ্ম শিবির বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

Exit mobile version