প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এফআইআর প্রক্রিয়ার সময় থেকেই নিজেদের দলদাস প্রশাসনকে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস চেষ্টা করছে, গোটা প্রক্রিয়াকে ভন্ডুল করে দেওয়ার। তবে নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারিতে যে এসআইআর প্রক্রিয়া হয়েছে, কোনোভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস তা আটকাতে পারেনি। আর সেই সময় বারবার করে বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। যে কোনো দিন ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করার দিন রাজ্যের বেশ কিছু জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। বেশ কিছু জেলার ওপর অসন্তুষ্ট মনোভাব প্রকাশ করেছিল কমিশন। কিন্তু তারপরেও যে তারা শোধরায়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। যেখানে ভোট প্রস্তুতিতে গাফিলতির অভিযোগে রাজ্যের দুই জেলার ভূমিকা নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন বলেই খবর।
ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের দামামা না বাজলেও প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের তৎপরতা নজরে আসছে। আর সেই তৎপরতাই বলে দিচ্ছে, যে কোনো মুহূর্তে ভোট ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। ফলে ভোট ঘোষণা করতে খুব একটা দেরি হওয়ার কথা নয়। আগামী ৮ মার্চ রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। আর তারা ফিরে যাওয়ার পরেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে যাবে। তবে এসবের মাঝেই রাজ্যের দুই জেলার ভূমিকা নিয়ে রীতিমত অসন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন।
সূত্রের খবর, রাজ্যের দুই জেলা, এক্ষেত্রে দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কোচবিহারের ভোট প্রস্তুতি নিয়ে খুব একটা খুশি নয় নির্বাচন কমিশন। এর আগেও এই দুই জেলার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। আর এবার নির্বাচনী প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই দুই জেলার গাফিলতি নিয়ে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট কমিশন। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যে যখন আর কিছুদিন পরেই নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ আসছে, তখন প্রস্তুতির অভাবের জন্য এই দুই জেলার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় সেই জেলার নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ জেলাশাসকরা যে রীতিমত চাপে পড়ে গেলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা নিয়ে যে অসন্তোষ নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এবার সেই সমস্ত জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় কিনা, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।
