Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন ধামাকা! নবান্ন থেকে একঝটকায় ১ লক্ষ বাড়ি ও ১০০০ কোটির রাস্তা দিল কেন্দ্র, ১২৫ দিনের কাজে বিরাট রেকর্ড!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের পর বদলে যাওয়া বঙ্গে এবার শুরু হলো ডাবল ইঞ্জিনের চরম গতি। দীর্ঘ সাড়ে তিন বছরের খরা কাটিয়ে অবশেষে বাংলার জন্য এককালীন কল্পতরু হয়ে উঠল মোদী সরকার। মঙ্গলবার নবান্ন সভাঘরে কেন্দ্রীয় কৃষি ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাইভোল্টেজ বৈঠকের পরেই রাজ্যবাসীর জন্য খুশির জোয়ার!

বাংলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের পকেটে টাকা ঢোকাতে এবং গ্রামীণ পরিকাঠামো আমূল বদলে দিতে একগুচ্ছ ঐতিহাসিক ঘোষণা করা হলো এই বৈঠক থেকে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PMAY-G) দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও জট কেটে গেল এক নিমেষে। তালিকা যাচাইকরণের (Verification) চূড়ান্ত রিপোর্ট আসার আগেই বাংলায় প্রথম দফায় সরাসরি ১ লক্ষ গ্রামীণ পাকা বাড়ি তৈরির অনুমোদন দিয়ে দিল কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, রাজ্যের অনুরোধে উপভোক্তাদের সমীক্ষা শেষ করার ডেডলাইন ২০ জুলাই থেকে বাড়িয়ে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার (PMGSY) প্রথম কিস্তিতেই পশ্চিমবঙ্গকে এক লপ্তে ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। এই বিশাল টাকার মাধ্যমে রাজ্যের গ্রামীণ এলাকায় রাতারাতি প্রায় ২,৪০০ কিলোমিটার নতুন পাকা রাস্তা তৈরি করা হবে, যা গ্রামীণ যোগাযোগের ছবিটা পুরোপুরি বদলে দেবে।সবচেয়ে বড় চমক এসেছে গ্রামীণ কর্মসংস্থানে। রাজ্যে পুরনো মনরেগা বা ১০০ দিনের কাজের বদলে ১ জুলাই থেকে চালু হয়েছে নতুন প্রকল্প ‘ভিবি জি-রামজি’ (VB-G RAM G)। এই প্রকল্পে এবার ১০০ দিনের জায়গায় ১২৫ দিনের কাজের গ্যারান্টি দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই কাজের জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে ৮,৫০৮ কোটি টাকা। রাজ্য সরকারের নিজস্ব অংশ মিলিয়ে এই তহবিলের পরিমাণ দাঁড়াবে ১২,০৬৪ কোটি টাকারও বেশি। এর ফলে রাজ্যের প্রায় ২ কোটি ৫৬ লক্ষ বৈধ জব কার্ডধারী সরাসরি উপকৃত হবেন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে কাজের দিন আরও ৫০ দিন বাড়ানো হতে পারে।

চাষীদের সুবিধার্থে রাজ্যের মাটির গুণাগুণ এবং ফসলের মান পরীক্ষা করতে ৪টি নতুন আধুনিক ল্যাব ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ার সবুজ সংকেত দিয়েছে দিল্লি। পাশাপাশি আলু ও পাটের উন্নত বীজ আনা এবং ধান চাষীদের প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ পুষ্টি পরিকাঠামো দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকের পর একধাক্কায় রাজ্যের থমকে থাকা গ্রামীণ উন্নয়ন রেকর্ড গতিতে ছুটতে চলেছে।

Exit mobile version