Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

বাংলার ৫ জেলা জুড়ে মারাত্মক থাবা! বুলেটিন প্রকাশ পেতেই তোলপাড় স্বাস্থ্য ভবন, আক্রান্তের সংখ্যা শুনলে চমকে উঠবেন!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-উৎসবের মরশুমের মুখে রাজ্য জুড়ে মশার কামড়ে রক্তারক্তি কাণ্ড! রাজ্য স্বাস্থ্য ভবনের সদ্য প্রকাশিত অফিসিয়াল বুলেটিন সামনে আসতেই চরম শোরগোল পড়ে গিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তাদের মহলে। বিগত দিনের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে এক ধাক্কায় গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের মোট সংখ্যা ৫ হাজার পার করে গিয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলার মূলত ৫টি জেলাতেই ডেঙ্গির থাবা সবচেয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংগৃহীত সরকারি রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই পরিসংখ্যান দেখে ঘুম উড়েছে আমজনতা থেকে শুরু করে প্রশাসনের কর্তাদের।

সরকারি বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে জেলাভিত্তিক সংক্রমণের নিরিখে রাজ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মুর্শিদাবাদে। আক্রান্তের সেই চোখ কপালে তোলার মতো পরিসংখ্যান নিচে দেওয়া হলো। মুর্শিদাবাদ: আক্রান্তের সংখ্যা এক লাফে ১,০৭২ জন ছাড়িয়ে গেছে (যা সমগ্র রাজ্যে সর্বোচ্চ)। খাস কলকাতায় ডেঙ্গি থাবা বসিয়েছে ৫০০-র বেশি মানুষের শরীরে। উত্তর ২৪ পরগনা: এখানে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে ৪৫০ জনে। নদিয়া: সীমান্ত লাগোয়া এই জেলাতেও আক্রান্ত ৪০০-র বেশি। মালদা: উত্তরবঙ্গের এই জেলাতেও আক্রান্তের পারদ ছুঁয়েছে প্রায় ৪০০ জন।(এছাড়াও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৬৬ জন)।

চলতি বছরের ৩৬তম সপ্তাহ শেষে রাজ্যে প্রকৃত আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,০০২ জন। এই আকস্মিক সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখতে নবান্ন ও স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি পুরসভা ও পঞ্চায়েত এলাকায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সাফাই অভিযান ও মশার তেল স্প্রে করার কাজ শুরু হয়েছে। ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন বাড়ির ছাদ ও জমা জলের উৎসের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। সরকারি হাসপাতাল ও গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে বিনামূল্যে ডেঙ্গি পরীক্ষার কিট এবং পর্যাপ্ত প্লেটলেট মজুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের তরফ থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে জানানো হয়েছে, দু’দিনের বেশি জ্বর থাকলে কোনোভাবেই যেন ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে রক্তের এনএস১ (NS1) পরীক্ষা করানো হয়।

Exit mobile version