Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

মুখ্যমন্ত্রীর হুঙ্কারেই মাঝরাতে অ্যাকশন! মুর্শিদাবাদে গ্রেফতার বিধায়ক হুমায়ুনের ৩ ‘খাস’ শাগরেদ!

 

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধানসভার ফ্লোরে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার ২৪ ঘণ্টাও কাটল না! তার আগেই রাজধর্ম পালনে কোমর বেঁধে ময়দানে নামল মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ। মঙ্গলবার রেজিনগর ও শক্তিপুর থানার পুলিশ যৌথভাবে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (AJUP) প্রধান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সভার ৩ মূল উদ্যোক্তাকে। ধৃতদের নাম গোলাম মোস্তফা (AJUP-এর কাশীপুর ২ অঞ্চলের সভাপতি), মহম্মদ আমিনুল হক এবং আনিসুর রহমান (বেলডাঙা ২ ব্লকের আহ্বায়ক)। ধৃত আমিনুলের বাড়ি রেজিনগরের লোকনাথপুরে এবং মূল উদ্যোক্তা গোলাম কাশীপুর এলাকার বাসিন্দা। এই গোলামই মূলত ওই বিতর্কিত সভার জন্য পুলিশের অনুমতি চেয়েছিলেন, যেখানে দাঁড়িয়ে সনাতনীদের পিটিয়ে ‘স্যাঁটা’ ভাঙার প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছিলেন বিধায়ক।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুনের রেজিনগর সভার সেই উস্কানিমূলক ভাষণের কথা সোমবার বিধানসভায় তুলে ধরেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। কড়া ভাষায় শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, “যারা ওঁকে ডেকেছিল, তাদের আগে তুলব, তার পর ওঁর কাছে যাব।” মুখ্যমন্ত্রীর সেই ‘এনাফ ইজ় এনাফ’ বার্তার পরই জেলা পুলিশের এই নজিরবিহীন তৎপরতা। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় সুয়ো মোটো মামলা রুজু করে রাতেই তিনজনকে শ্রীঘরে পোরা হয়েছে।

শাগরেদদের গ্রেফতারি এবং নিজের শক্তিপুরের বাড়িতে জোড়া থানার নোটিস পৌঁছানোর পর কার্যত ব্যাকফুটে বিধায়ক। তবে ভাঙলেও মচকাতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “পুলিশ পুলিশের কাজ করবে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ থাকলে পুলিশ তো আর অমান্য করতে পারে না। তবে আমি ভয় পাওয়ার লোক নই, আইনি পথেই এর গণতান্ত্রিক মোকাবিলা করব।” আপাতত ৩ এবং ৪ জুলাই যথাক্রমে শক্তিপুর ও রেজিনগর থানায় সশরীরে হাজিরার সমন দেওয়া হয়েছে বিধায়ককে। সভার মূল মাথাদের গ্রেফতারির পর এবার কি খোদ নওদার বিধায়কের পালা? রাজনৈতিক মহলে এখন সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন!

Exit mobile version