Site icon প্রিয় বন্ধু মিডিয়া

মমতার সঙ্গ ছাড়তেই বিস্ফোরক মদন! অভিষেকের বিরুদ্ধে এমন মারাত্মক অভিযোগ তুললেন যা আগে কেউ শোনেনি!

 

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক পদের দায়িত্ব ছেড়ে বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দেওয়ার পর, এবার সরাসরি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। দলত্যাগের পরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একনায়কতন্ত্র ও তাঁর ‘ভয়ঙ্কর’ রূপ নিয়ে একের পর এক এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তিনি, যা রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমতো সুনামি ডেকে এনেছে।

নতুন শিবিরে যোগ দিয়েই মদন মিত্র সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে দাবি করেন, দলের সেনাপতি (অভিষেক) সম্পূর্ণ একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন এবং তাঁর কারণেই দল ধ্বংসের মুখে। মদন মিত্রের সবচেয়ে বড় দাবি, “দল চালাচ্ছেন সেনাপতি, কিন্তু তিনি ঠিকমতো চালাতে পারছেন না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথাও শোনেন না, সম্পূর্ণ নিজের মর্জিমাফিক দল চালাচ্ছেন।”

প্রকাশ্যেই তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে মদন বলেন, “এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর চেয়েও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক বেশি ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক।” দলের অভ্যন্তরীণ স্বার্থপরতার পর্দাফাঁস করে তিনি বলেন, “সবাই মরে যাক, শুধু অভিষেক বেঁচে থাকুক—দলের ভেতর এখন এমন সিদ্ধান্তই নেওয়া হচ্ছিল। একজন মানুষের জন্য একটা আস্ত জাত বা দলকে আমরা বিসর্জন দিতে পারি না।”

বর্তমান তৃণমূলের অন্দরের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি অভিষেককে ৬ মাস বা ১ বছরের জন্য দলের কাজ থেকে সরে দাঁড়িয়ে দল পুনর্গঠনের সুযোগ দিতে বলেছিলেন, কিন্তু অভিষেক তা শোনেননি। উলটে তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য, “আমি তো চুনোপুঁটি, অভিষেক তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ঠিকমতো স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয় না!”

মদন মিত্রের এই মন্তব্যের পর তৃণমূলের অন্দরে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, মদন মিত্রের এই “অভিষেক-বাণ” তৃণমূল দলের ভেতরের ফাটলকে একেবারে প্রকাশ্যে এনে দাঁড় করাল, যার প্রভাব আগামী দিনে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী হতে চলেছে।

Exit mobile version