প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের কিছু অনুপ্রাণিত মিডিয়া রয়েছে, যারা তৃণমূলকে খুশি রাখতে সমস্ত কিছু করে থাকেন। তারা চেষ্টা করছেন যে, যেভাবেই হোক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যাতে আবার ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা যায়। কিন্তু বাংলার মানুষ যে স্থির করে নিয়েছে, এবার তৃণমূলকে বিসর্জন দেবে, তা হয়ত সেই অনুপ্রাণিত মিডিয়ারা বুঝতে চাইছেন না। আর সেই কারণেই ক্রমাগত বিজেপিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়া কার্শিয়াংয়ে্য বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা যখন তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান করলেন, তখন একাংশ মিডিয়া এমনভাবে সেই খবর প্রচার করছে, যেন বিজেপি দলটা এই যোগদানের ফলে উঠে যাবে রাজ্য থেকে। কিন্তু বিজেপির প্রতি মানুষের যে আগ্রহ রয়েছে, তাতে এই সমস্ত অপ্রাসঙ্গিক ব্যক্তিদের তৃণমূল কংগ্রেস যতই দলে নিয়ে প্রচার নেওয়ার চেষ্টা করুক, লাভের লাভ যে কিছুই হবে না, তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আজ সকাল থেকেই অনুপ্রাণিত মিডিয়াদের একটা অংশ তৃণমূলকে খুশি করতে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার যোগদান নিয়ে ব্যাপক প্রচার করছে। কিন্তু এই ভদ্রলোকের যে রাজ্য রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিকতা বলতে কিছু নেই, তা খুব ভালো করেই জানেন সাধারণ মানুষ। তাই অনুপ্রাণিত মিডিয়া যতই এই খবরকে সামনে রেখে তৃণমূলকে খুশি করতে তার এই যোগদানের ফলে বিজেপিতে বিরাট ধ্বস পড়ে গেল বলে প্রচার করার চেষ্টা করুন না কেন, লাভের লাভ কিছুই হবে না। এক্ষেত্রে বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার এই যোগদান বিজেপিতে ধ্বস নয়, বরঞ্চ মিডিয়াতে ধ্বস তৈরি করেছে বলেই খোঁচা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন যে, এই সমস্ত ব্যক্তিত্বের রাজনীতিতে বিন্দুমাত্র ক্যারিশমা নেই। আর যদি তাই থাকতো, তাহলে ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে পাঁচ হাজারের কম ভোট পেতেন না বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা।

এদিন কার্শিয়াংয়ের বিধায়কের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে শুভেন্দুবাবুকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “কোনো ধ্বস নেই। আপনাদের মিডিয়াতে ধ্বস। ওই লোকটা ২০২৪ এ রাজু বিস্তার বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হয়েছিল। ২০ লক্ষ ভোটের মধ্যে ৫ হাজার ভোট পেয়েছে। ওকে কার্শিয়াংয়ে টিকিট দেওয়া হবে না।” অর্থাৎ যতই অনুপ্রাণিত মিডিয়া এই খবর নিয়ে নাচানাচি করার চেষ্টা করুন না কেন, লাভের লাভ কিচ্ছু হবে না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যে স্থির করে নিয়েছে, এবার বাংলায় পরিবর্তন হবে, সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দিয়ে এই বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার মত রাজনীতিতে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়া ব্যক্তিত্বকে তৃণমূল দলে নিলেও তা নিয়ে যে বিজেপি বিন্দুমাত্র চিন্তিত নন, তা বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।