প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক মঞ্চে দেখতে পাওয়া গিয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। যেখানে তাকে রাজ্যের পক্ষ থেকে একটি সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়েছে। আর তারপর থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছে যে, অনন্ত মহারাজ তাহলে কি এবার তৃণমূলের পথে পা বাড়াচ্ছেন? এমনকি জল্পনা বাড়িয়ে সেই অনুষ্ঠান শেষে রাজবংশীদের বঞ্চনা নিয়েও সোচ্চার হয়ে বিজেপির অস্বস্তি বাড়িয়েছেন সেই অনন্ত মহারাজ। তবে রাজবংশীদের বিষয়ে তিনি সোচ্চার হলেও, রাজবংশীরা কখনই বিজেপির থেকে সরে যাবে না বলেই পাল্টা বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনন্ত মহারাজের এই একমঞ্চে থাকা এটা নতুন কিছু নয় বলেও দাবি করলেন তিনি।
সামনেই ২০২৬ এর নির্বাচন। আর তার আগে তৃণমূল কংগ্রেস বুঝতে পারছে যে, তারা ক্ষমতায় টিকে থাকবে না। সেই কারণে বিরোধী দলের যে সমস্ত অপ্রাসঙ্গিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা রয়েছে, তাদেরকে তারা দলে টানার চেষ্টা করছে। এমনকি কোথাও কোথাও এমন একটা ন্যারেটিভ তৈরি করার চেষ্টা করছে যে, তাদের প্রতি সকলেই আকৃষ্ট হচ্ছে। আর অনুপ্রাণিত মিডিয়া তা নিয়ে দিনভর খবর করছে। আজ রাজ্যের ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক মঞ্চে দেখতে পাওয়া গিয়েছে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে। স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপির কাছে ভোটের আগে এটা যথেষ্ট অস্বস্তিকর। এমনকি সেই অনন্ত মহারাজ আবার সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেছেন যে, রাজবংশীদের জন্য নাকি কিছুই করা হয়নি। তাদের নাকি বঞ্চিত করা হয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে এবার গোটা বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজের উপস্থিতি নিয়ে শুভেন্দুবাবুকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এর আগেও মুখ্যমন্ত্রী ওনার বাড়িতে গিয়েছিলেন। কাজেই এই বিষয়ে আমি বেশি কথা বলবো না। তবে রাজবংশীরা, আমি ওদের জানি। একাধিক রাজবংশী জনপ্রতিনিধি আমার সহকর্মী। আমি রাজবংশী সমাজের হয়ে বলতে পারি, তারা এমন কাজ আগামী নির্বাচনে করবেন না, যাতে হিন্দুদের ক্ষতি হয়। তাই রাজবংশীদের নিয়ে চিন্তা না করলেই হবে। তবে উনি যেটা করছেন, সেটা ওনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা তো নতুন নয়। লোকসভা নির্বাচনের আগেও মুখ্যমন্ত্রী ওনার বাড়িতে গিয়ে চা খেয়ে এসেছেন।”